This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে বড় চমক! বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একমাত্র বামেরা?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচন ২০২৬ ভোটের পর বদলে যাচ্ছে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ। কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আসার পর থেকে হকার উচ্ছেদ, ১৪ বছরের কম বয়সী গরু জবাই নিষিদ্ধ, NRC, বুলডোজার রাজনীতি, SIR এবং অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মতো জনবিরোধী ইস্যুতে রাস্তায় কারা ছিল? সাধারণ মানুষ বলছেন, এই সব আন্দোলনে মানুষের পাশে একমাত্র CPI(M) ও বামফ্রন্টকেই দেখা গেছে।
নন্দীগ্রাম: কংগ্রেসের শক্তি কতটা?নন্দীগ্রামের ইতিহাস বলছে, এখানে কংগ্রেস কখনোই শক্তিশালী ছিল না। পূর্ব মেদিনীপুর বা পশ্চিম মেদিনীপুরে গত বিধানসভা নির্বাচনেও কংগ্রেসের ভোট ছিল না । এবার উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী কার্যত নেই বললেই চলে। প্রার্থী ভয়ে প্রচার থেকে সরে গেছেন কিনা, তা নিয়ে মানুষের মধ্যেই গুঞ্জন চলছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নন্দীগ্রামে অক্সিজেন পাওয়ার চেষ্টা করছে এবং তৃণমূল  কংগ্রেসকে সাপোর্ট করবে। কিন্তু নন্দীগ্রামের মানুষ জানে, বিজেপির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক লড়াইয়ে বামেরাই ছিল।


রেজিনগর: লড়াই ত্রিমুখী 
রেজিনগরের ছবিটা আরও জটিল। সেখানে হুমায়ূনের প্রার্থী প্রচারে নেই। অভিযোগ উঠছে, হুমায়ুন কবীরের দলের কর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে। তাঁর ছেলে গোলাম নবী আজাদও প্রচারে থাকবেন না।অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী নিজেই এক সভায় বলেছেন, "আমার হয়ে কে প্রচার করবে, কে আমাকে ভোট দেবে?" এই মন্তব্যের পর তৃণমূল কর্মীরা কতটা তাঁর পাশে থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর মানুষের ভরসা কতটা, তা বিধানসভার ফলেই বোঝা যাবে। ফলে রেজিনগরের লড়াইটা এখন কংগ্রেস বনাম CPI(M) বনাম বিজেপির মধ্যে। যেকোনো দল জিততে পারে। রেজিনগরে প্রায় ৭০-৭৫% মুসলিম ভোট হলেও, হিন্দু ভোট এবার ভাগ হতে পারে। বিজেপি যদি ভাবে সব হিন্দু ভোট তাদের পকেটে, তাহলে তারা বড় ভুল করবে। বহু হিন্দু ভোটার এবার বিজেপির দিক থেকে মুখ ফেরাতে পারে।

নন্দীগ্রামে বামেরা হারানো জমি ফিরে পাওয়ার সুযোগ খুঁজছে, আর রেজিনগরে লড়াইটা প্রেস্টিজ ফাইট। দুই কেন্দ্রেই একটা বিষয় স্পষ্ট - বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে মাঠে থাকার বার্তা বামেরা দিতে পেরেছে, যা ভোটের বাক্সে চমক দিতে পারে।

আপনার কী মনে হয়? নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে এবার কে জিতবে? কমেন্টে জানান।

ISF-এ বড় ভাঙন! একসঙ্গে ইস্তফা রাজ্য সভাপতি ও সহ-সভাপতির

ভাঙড় থেকে শুরু হওয়া ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টে (ISF) বড়সড় ভাঙন। দলের দুই শীর্ষ নেতা একসঙ্গে পদত্যাগ করলেন।
আজ, ২৩শে সেপ্টেম্বর পদত্যাগের ঘোষণা করলেন দলের রাজ্য সহ-সভাপতি তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি তাপস ব্যানার্জি**। তার কয়েকদিন আগেই, ১৮ই সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেছেন দলের রাজ্য সভাপতি **সামসুর আলী মল্লিক ওরফে মনসুর।

কেন পদত্যাগ?

ভিডিও বার্তায় তাপস ব্যানার্জি জানিয়েছেন, ৫ বছর ধরে দল করেছেন। কিন্তু দলে কোনও গণতন্ত্র নেই। দুই বছর অন্তর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও তা হয় না। প্রার্থী বাছাই নিয়েও আলোচনা হয় না। ১৮ই সেপ্টেম্বর রাজ্য কমিটির বৈঠকে তাঁকে অপমান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।

অন্যদিকে, রাজ্য সভাপতি সামসুর আলী মল্লিকের অভিযোগ আরও গুরুতর। তাঁর দাবি, ফুরফুরা শরিফে কেন্দ্রীয় অফিসে শো-কজের পর বৈঠকে চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকীর সামনেই তাঁকে মারতে যাওয়া হয়, ধাক্কা দেওয়া হয়। "দলটা দলিত-আদিবাসী-মুসলিমদের স্বপ্ন নিয়ে গড়েছিলাম, কিন্তু এখন গুন্ডামির পরিবেশ" - বলেন তিনি।

রাজনৈতিক মহলের মতে, নওশাদ সিদ্দিকী বনাম আব্দুল মালেক গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বই এই ভাঙনের কারণ। ২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে এই জোড়া পদত্যাগ ISF-কে বড় ধাক্কা দিল।

কেরালায় ABVP-র লজ্জা! 400 কলেজে মাত্র 5 টা জয়, SFI একাই 355 - ত্রিপুনিথুরায় বিনা লড়াইয়ে জয়?

কেরালার ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে SFI-র বিপুল জয়। SFI 355+, KSU 73, ABVP 5। Tripunithura Sanskrit College-এ ABVP-র বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের আসল সত্য জানুন।
 Kerala Election 2026: SFI 355 | ABVP 5 | KSU 73
কেরালা ছাত্র সংসদ নির্বাচন 2026: SFI 350 পার, ABVP আটকে 5-এ! আসল হিসাব কী বলছে?
কেরালা ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই রকম প্রচার চলছে। একদিকে বলা হচ্ছে SFI সব উড়িয়ে দিয়েছে, অন্যদিকে ABVP ৪০ বছরের দুর্গ ভেঙেছে। আসল সত্যটা কী? ৪টি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করলাম আমরা।
৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত ফলাফল (2026)
এবার কেরালা, কান্নুর, কালিকট এবং মহাত্মা গান্ধী - এই ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কলেজগুলোতে ভোট হয়েছে।
এই ফল থেকে ৩টি বিষয় পরিষ্কার:

১. SFI-র দাপট এখনও অটুট: রাজ্যে শাসক দল বাম হলেও ছাত্রদের মধ্যে SFI-র সংগঠন সবচেয়ে শক্তিশালী। তারা একাই ৩৫৫টির বেশি কলেজ ইউনিয়ন দখল করেছে।

২. ABVP শূন্য নয়, কিন্তু ৫-এ আটকে: ABVP মোট ৫টি কলেজে জিতেছে। কেরালায় BJP বাড়লেও ছাত্র রাজনীতিতে তারা এখনও দাগ কাটতে পারেনি।

৩. কংগ্রেস ছাত্র সংগঠন KSU-র ভরাডুবি: আলাপ্পুঝা, যা এ কে অ্যান্টনি, কে সি বেণুগোপালদের জেলা, সেখানে KSU একটি কলেজেও জিততে পারেনি। এটা কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা।
Tripunithura Government Sanskrit College - ৪০ বছরের দুর্গ ভাঙার আসল গল্প কী?
এটাই এখন সবচেয়ে ভাইরাল খবর। ABVP দাবি করছে তারা ৪০ বছরের SFI দুর্গ ভেঙে ১২টি পদেই জিতেছে।
কেরালা ইউনিভার্সিটি: SFI ৬৫ টি কলেজে জয়ী (তার মধ্যে ৪৫ টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), KSU ৯ টি, ABVP ২ টি • কান্নুর ইউনিভার্সিটি: SFI ৬০ টি (৩৯ টি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), KSU ১২ টি, ABVP ২ টি • কালিকট ইউনিভার্সিটি: SFI ১২৭ টি, MSF ৪৭ টি, KSU ২১ টি, ABVP ১ টি • মহাত্মা গান্ধী ইউনিভার্সিটি (MGU): SFI ১০৩ টি, KSU ৩১ টি 
মানে ABVP মোট ৫ টা কলেজ ইউনিয়ন জিতেছে, ১ টা নয়। আর SFI একাই ৩৫০+ কলেজে জিতেছে। তাই SFI-র দাপট আছে, এটা সত্যি।  

আসল ঘটনা হলো: এই কলেজটি MGU-র অধীনে। গত বছর ২০২৫ সালে এখানে ABVP ভোটে লড়ে SFI-কে হারিয়ে ১০টি পদে জিতেছিল। এটা সত্যি।

কিন্তু এবার ২০২৬ সালে SFI এবং KSU কোনো প্রার্থীই দেয়নি। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর দেখা যায় শুধু ABVP-র প্রার্থীরা আছে। ফলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১২টি পদে জয়ী হয়েছে।

অর্থাৎ, এবার ভোটের মাঠে লড়াই হয়নি, ওয়াকওভার হয়েছে। SFI-র অভিযোগ, তাদের কর্মীদের ভয় দেখানো হয়েছে, তাই তারা প্রার্থী দিতে পারেনি। ABVP-র বক্তব্য, ছাত্ররা SFI-কে প্রত্যাখ্যান করেছে।
উপসংহার: কেরালার বার্তা কী?
কেরালা আবার প্রমাণ করল, সেখানে ছাত্র রাজনীতিতে এখনও লাল ঝান্ডাই এগিয়ে। ABVP-র জন্য Tripunithura-র জয় প্রতীকী জয়, সাংগঠনিক জয় - কিন্তু রাজ্যজুড়ে ছবিটা এখনও SFI-ময়।

বাংলার ছাত্র রাজনীতির জন্য এর কী বার্তা? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

Tags: Kerala Student Election 2026, SFI, ABVP, KSU, Kerala University Election, Kannur University, Tripunithura Sanskrit College, Ajker Rajniti, Sukhen Ghosh



নির্বাচন কমিশনে ফাটল? ১৪ বার আপত্তি, CEC জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক রিপোর্ট, তারপর মুখ খুলল কমিশন

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই কি গৃহযুদ্ধ চলছে? সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি রিপোর্টকে কেন্দ্র করে এমনই প্রশ্নে তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি।


অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন খোদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বুধবার 'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস' এর একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত ১০ মাসে কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাকি দুই কমিশনার সুখবীর সিং সাঁধু এবং বিবেক জোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন।

বিতর্কের মূল বিষয় কী?

রিপোর্ট অনুযায়ী আপত্তিগুলো মূলত তিনটি বিষয়ে -
১. স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়া
২. ফর্ম ৬-এ নতুন নিয়ম
৩. ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া ও নতুন নাম যোগ করার পদ্ধতি। অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তগুলো দুই কমিশনারকে অন্ধকারে রেখে নেওয়া হয়েছিল।

বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ

এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই একযোগে আক্রমণে নামে বিরোধী শিবির। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী একে 'গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ' বলে বর্ণনা করেন। তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় CEC-র বরখাস্ত এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি তোলেন।

অবশেষে মুখ খুলল কমিশন

চাপের মুখে পড়ে বৃহস্পতিবার যৌথ বিবৃতি জারি করে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বক্তব্য -

"ভারতের নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কাজ করে। যে কোনও স্বাধীন সংস্থায় ভিন্নমত থাকা অস্বাভাবিক নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে দীর্ঘ আলোচনা ও বিতর্ক কমিশনের কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ।"

এছাড়াও কমিশন জানিয়েছে, গত ১০ মাসে প্রায় ৪০টি নতুন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ভোটার তালিকাকে আরও স্বচ্ছ করতে। কয়েকটি বিচ্ছিন্ন অভ্যন্তরীণ নোটকে দেখিয়ে পুরো প্রক্রিয়াকে একপেশে ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে।

বিশ্লেষণ: Ajker রাজনীতি 
সুখেন ঘোষ 

সামনে একাধিক রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে কমিশনের অন্দরের এই ফাটলের খবর নিঃসন্দেহে কমিশনের ভাবমূর্তিতে আঘাত করেছে। কমিশনের এই সাফাই বিরোধীদের আক্রমণ কতটা থামাতে পারে, সেটাই এখন দেখার।

- রিপোর্ট: সুখেন ঘোষ, আজকের রাজনীতি

বারুইপুর কোর্ট চত্বরে CPIM নেতা আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জীকে লক্ষ্য করে ডিম হামলা! উত্তপ্ত আদালত

বারুইপুর কোর্ট চত্বরে আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জীর ওপর ডিম হামলা! ভাঙড় কাণ্ডে ফের উত্তেজনা

ভাঙড় কলেজের অশান্তির আঁচ এবার পৌঁছল বারুইপুর আদালত চত্বরে। আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ডিম ছোড়ার অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।

কী ঘটেছিল?
সোমবার ভাঙড় কলেজে SFI, ISF এবং ABVP ছাত্র সংগঠনের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সেই ঘটনায় পুলিশ দুই SFI কর্মী শাহরুখ আখতার আলি মোল্লা ও আসলাম হাবিবকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তাঁদের বারুইপুর আদালতে পেশ করা হয়।

ধৃতদের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন পরিচিত বামপন্থী আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালত দুজনকেই জামিন দেয়।

সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, জামিনের পর তিনি যখন কালো কোর্ট পরে আদালতের বাইরে বেরিয়ে আসেন, তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। পরে ইট ছোড়া এবং গালিগালাজও করা হয়। প্রায় দু ঘণ্টা তাঁকে আদালত চত্বরেই আটকে থাকতে হয়।

তাঁর বক্তব্য, "একজন আইনজীবীর উপরে আদালত চত্বরে ডিম ছোড়া হচ্ছে। এ কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি আমরা। নিরাপত্তা কোথায়?"

হামলার নেপথ্যে কারা?
প্রাথমিকভাবে অভিযোগের তীর ABVP সমর্থকদের দিকে। যদিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ABVP সমর্থকরা ডিম ছোড়ার কথা অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে SFI-র দাবি, পরিকল্পিতভাবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বারুইপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং আদালত চত্বর ফাঁকা করে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ডিম ছোড়ার কোনও প্রমাণ পায়নি। নির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ জমা পড়লে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি।

সরব বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য
ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, আইনের পথে দাঁড়িয়ে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদের জামিন করানোর অপরাধেই সায়নের উপর শারীরিক হামলা হয়েছে। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি এবং আইনজীবীদের ধিক্কার সমাবেশের ডাক দিয়েছেন।

আদালত চত্বরের মতো সুরক্ষিত জায়গায় একজন আইনজীবীর উপর এই ধরনের হামলা আইনের শাসন নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।

পাকিস্তানের ওপেনার থেকে বলিউডের হিরো - মোহসিন খানের অচেনা ইনিংস!

 Game Info Special | ক্রিকেট থেকে সিনেমা

পাকিস্তানের ওপেনার থেকে বলিউডের হিরো - মোহসিন খানের অচেনা ইনিংস!

৯০-এর দশকের সুপারহিট ছবি ‘সাথী’। সেই বিখ্যাত গান ‘জিন্দেগি কি তলাশ মে হাম মৌত কে কিতনা পাস আ গয়ে’ আজও গুনগুন করে গোটা প্রজন্ম। আদিত্য পাঞ্চোলির সঙ্গে দ্বিতীয় নায়ক হিসেবে যে সুদর্শন যুবককে দেখা গিয়েছিল অমরের চরিত্রে, তিনি আর কেউ নন, পাকিস্তানের টেস্ট ওপেনার মোহসিন খান।


হ্যাঁ, ক্রিকেট মাঠের লড়াই ছেড়ে বলিউডের রুপালি পর্দায় নায়ক হয়েছিলেন এই পাক তারকা।


১. ক্রিকেট মাঠের মোহসিন:


১৯৭৭ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত পাকিস্তানের জার্সিতে দাপিয়ে খেলেছেন মোহসিন খান। ৪৮টি টেস্ট ও ৭৫টি একদিনের ম্যাচে তিনি ছিলেন পাকিস্তানের ভরসাযোগ্য ওপেনার।  


তাঁর নামের পাশে এক অনন্য রেকর্ডও আছে - তিনিই প্রথম এবং একমাত্র এশীয় ক্রিকেটার যিনি লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। ১৯৮২ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লর্ডসে তাঁর ২০০ রান আজও ইতিহাস।  


২. বলিউডে সেকেন্ড ইনিংস:


ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে তিনি পা রাখেন মায়ানগরীতে। বলিউড অভিনেত্রী রীনা রায়কে বিয়ে করার পর সিনেমার প্রতি আগ্রহ বাড়ে। পরিচালক জে.পি. দত্তার ‘বাটোয়ারা’ ছবির মাধ্যমে ১৯৮৯ সালে তাঁর হিন্দি সিনেমায় অভিষেক হয়।  


এরপর একে একে করেছেন ‘ফতেহ’ (সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে), ‘গুনাহগার কৌন’, ‘প্রতিকার’, ‘লাট সাহেব’, ‘ম্যাডাম এক্স’ এবং ‘মহান্তা’-র মতো ছবি।


তবে তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল মহেশ ভাটের ক্রাইম থ্রিলার ‘সাথী’ (১৯৯১), যেখানে আদিত্য পাঞ্চোলি ও বর্ষা উসগাওকরের সঙ্গে তিনি ছিলেন অন্যতম প্রধান মুখ। ১৯৯৭ সালের ‘মহান্তা’ ছিল তাঁর শেষ হিন্দি ছবি।  


৩. রীনা রায় ও ব্যক্তিগত জীবন:


১৯৮৩ সালে বলিউডের তৎকালীন টপ অভিনেত্রী রীনা রায়কে বিয়ে করে তুমুল আলোচনায় আসেন মোহসিন। পরে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়।


পাকিস্তানের ক্রিকেট মাঠ থেকে বলিউডের নায়ক, আবার সেখান থেকে কোচ ও ধারাভাষ্যকার - মোহসিন খানের জীবনটা সত্যিই সিনেমার চিত্রনাট্যের চেয়ে কম কিছু নয়।


আপনি কি জানতেন এই গল্পটা? এমনই হারিয়ে যাওয়া ক্রিকেট কাহিনি জানতে চোখ রাখুন Game Info পেজে।


Game Info | Sukhen Ghosh - Reporting


#MohsinKhan #Saathi #BollywoodAndCricket #ReenaRoy #GameInfo #CricketHistory #90sBollywood


ভাড়াটিয়াদের জয়, কর্পোরেটদের হার — বার্লিনে লাল ঝান্ডার উত্থান

 ভাড়াটিয়াদের জয়, কর্পোরেটদের হার — বার্লিনে লাল ঝান্ডার উত্থান

বাড়ি চাই, মুনাফা নয় — বার্লিন বলল বামপন্থাই ভরসা


রিপোর্ট: সুখেন ঘোষ | Ajker রাজনীতি | বার্লিন

বার্লিনের রাজনীতিতে ভূমিকম্প। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাজ্য নির্বাচনে সবাইকে চমকে দিয়ে প্রথম স্থান দখল করল বামপন্থী দল Die Linke (দ্য লেফট)। দলটি পেয়েছে ২৫.৭% ভোট, যা তাদের আগের ফলের প্রায় দ্বিগুণ এবং বার্লিনে তাদের ইতিহাসের সেরা ফল। চ্যান্সেলর Friedrich Merz-এর CDU পেয়েছে ১৮.৮% ভোট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে।  


এই জয়ের ফলে Die Linke বার্লিনের মেয়রের অফিস থেকে কনজারভেটিভদের সরিয়ে দিয়েছে এবং প্রথমবারের মতো শহরের জোট সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার অবস্থানে চলে এসেছে।  


কে এই এলিফ এরাল্প?

৪৫ বছর বয়সী আইনজীবী এলিফ এরাল্প। তাঁর বাবা-মা তুরস্কের সমাজতন্ত্রী ও ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী ছিলেন, ১৯৮০ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর জার্মানিতে আসেন। তিনি নিজে মিউনিখে জন্মগ্রহণ করেন এবং জার্মান ও তুর্কি দুই নাগরিকত্বই রাখেন।


দীর্ঘদিন অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন, Die Linke-র হয়ে কাজ করছেন ২০১০ সাল থেকে। এখন থাকেন বার্লিনের ক্রয়েজবার্গে, ভাড়া ফ্ল্যাটে — স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে, বেশিরভাগ বার্লিনবাসীর মতোই।


যদি তিনি মেয়র হন, তাহলে তিনি হবেন ১৯৯০ সালে জার্মান পুনঃএকত্রীকরণের


পর বার্লিনের প্রথম বাম দলের মেয়র, তুর্কি বংশোদ্ভূত প্রথম মেয়র এবং প্রথম বর্ণের নারী মেয়র। আন্তর্জাতিক মিডিয়া তাই তাঁকে ডাকছে ‘Germany’s Mamdani’।


ভোটটা হলো কেন আবাসন নিয়ে?


এরাল্পের পুরো প্রচার ছিল একটাই ইস্যুতে — আবাসন।


তাঁর দল বার্লিনের আবাসন সংকট সমাধান এবং ভাড়া কমানোর জন্য বড় পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যার মধ্যে বড় কর্পোরেট বাড়িওয়ালাদের ফ্ল্যাট বাজেয়াপ্ত করার বিতর্কিত প্রতিশ্রুতিও আছে। স্লোগান ছিল — WOHNEN STATT PROFIT।


তিনি নিজে বলেছেন, "Berlin has clearly voted in favour of a change in policy, for an affordable Berlin where everyone can live with dignity, regardless of income or background"। জয়ের রাতে বলেছিলেন, "In our city, love and justice have triumphed over hatred."  


সরকার কি গঠন হলো?


না, এখনো নয়। জার্মানিতে রাজ্য নির্বাচন সরাসরি মেয়র নির্বাচন করে না, সবচেয়ে বড় দলকে আগে জোট গঠন করতে হয়, তারপর পার্লামেন্ট সরকার প্রধানকে নির্বাচন করে — তাই ভোটের সন্ধ্যা পর্যন্ত এলিফ এরাল্প দায়িত্ব নেননি।  


এখন দুটো সম্ভাব্য জোট নিয়ে আলোচনা চলছে — Left-Green-SPD অথবা CDU-Green-SPD, কারণ আগের CDU-SPD জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। সংখ্যার বিচারে Die Linke-Greens-SPD জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার কথা।  


এই ফলাফল শুধু বার্লিনের নয়। ঠিক দুই সপ্তাহ আগেই Saxony-Anhalt-এ জিতেছিল কট্টর দক্ষিণপন্থী AfD। তার পাল্টা হিসেবে বার্লিন দেখাল — ভাড়া, বৈষম্য আর মর্যাদার রাজনীতিতেও মানুষ বিকল্প খুঁজছে।


Ajker রাজনীতি | Sukhen Ghosh - Reporting