This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

South Calcutta Law কলেজে ফের উত্তেজনা: পতাকা বিতর্কে SFI- ABVP সংঘর্ষ, হস্তক্ষেপ পুলিশের

রিপোর্টার: সুখেন ঘোষ, কলকাতা
কলকাতা, ২৬ সেপ্টেম্বর: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে কসবার সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজ। শুক্রবার দুপুরে সাংগঠনিক পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বাম ছাত্র সংগঠন SFI এবং ABVP-র মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বাধে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি থাম্বনেইল ভাইরাল হয়েছে যেখানে দাবি করা হচ্ছে, "জাতীয় পতাকা খুলে নিজেদের পতাকা লাগালো ABVP"। কিন্তু আমাদের অনুসন্ধানে এবং পুলিশ সূত্রে এই দাবির কোনও সরকারি সত্যতা মেলেনি।

ঠিক কী ঘটেছিল?
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে ক্যাম্পাসে ABVP-র গেরুয়া পতাকা লাগানো হয়। বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানায় SFI। এরপর SFI-ও নিজেদের পতাকা লাগায়। অভিযোগ, ABVP সেই পতাকা খুলে দেয়। তা থেকেই প্রথমে স্লোগান, পরে হাতাহাতি।

SFI মুখপাত্র সত্যজিৎ ভান্ডারীর বক্তব্য, "আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েই পতাকা লাগিয়েছিলাম। ABVP আমাদের পতাকা খুলে দেয় এবং মহিলা কর্মীদের ওপর হামলা করে।"

পাল্টা ABVP নেতা অনন্ত বারুইয়ের অভিযোগ, "SFI বহিরাগতদের নিয়ে এসে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। SFI ক্যাম্পাসে একচেটিয়া দখলদারি চালাতে চায়।"

কলেজ কর্তৃপক্ষ কী বলছে?
ভাইস প্রিন্সিপাল ড. নয়না চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, "কলেজ চত্বরে কোনও রাজনৈতিক সংগঠনের পতাকা লাগানো যাবে না। আমরা উভয় পক্ষকেই সতর্ক করেছি।"

পুরনো বিতর্কের ছায়া:
এই কলেজটি ২০২৫ সালের ২৫ জুন এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দেশজুড়ে আলোচনায় এসেছিল। সেই মামলায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক নেতা-সহ তিনজন গ্রেফতার হয়েছিল। তারপর থেকেই কলেজে রাজনৈতিক উত্তেজনা লেগেই আছে।
আজকের রাজনীতির Fact Check: ভাইরাল ভিডিওতে জাতীয় পতাকা অবমাননার যে দাবি করা হচ্ছে, তার সমর্থনে এখনও পর্যন্ত কোনও FIR বা কলেজের লিখিত অভিযোগ নেই। বিষয়টি সাংগঠনিক পতাকা বিতর্ক বলেই পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে।

সামনে এলো পুরো ফাইল! বিজেপি ২৮৭ কোটি, কংগ্রেস ৪২ কোটি, বামেদের...? তৃণমূল লুকাচ্ছে কেন?

সামনে এলো নির্বাচন কমিশনের গোপন ফাইল! বাংলায় টাকার খেলায় কে এগিয়ে?
কলকাতা, আজকের রাজনীতি ডেস্ক: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট মিটে গেলেও, ভোটের খরচ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বাংলায়। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া রাজনৈতিক দলগুলির খরচের হিসাবেই সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আর সেই তথ্যেই রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

আজকের রাজনীতির হাতে আসা সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলার মাটিতে প্রচারে সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

এক নজরে কে কত খরচ করলো?

নির্বাচন কমিশনের নথি বলছে -

> বিজেপি: ২৮৭ কোটি টাকা
শুধু পশ্চিমবঙ্গেই বিজেপি খরচ করেছে ২৮৭ কোটি টাকা। যা পাঁচ রাজ্যের মোট খরচের ৫৪ শতাংশেরও বেশি।

> তৃণমূল কংগ্রেস: হিসাব গায়েব!
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত তাদের খরচের চূড়ান্ত হিসাব কমিশনে জমা দেয়নি। কেন এই লুকোচুরি? প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা।

> কংগ্রেস: ৪২ কোটি ৮ লক্ষ টাকা
জাতীয় কংগ্রেস বাংলার জন্য বরাদ্দ করেছিল ৪২ কোটি ৮ লক্ষ টাকা।

> বামেরা...? সিপিআইএম: প্রায় ৮ কোটি টাকা
সবচেয়ে কম খরচে লড়াই করেছে সিপিআইএম। বামেদের খরচ মাত্র ৮ কোটি টাকার কাছাকাছি। অল্প টাকায় লড়াই করেও বামেদের এই লড়াকু মানসিকতা নিয়ে চর্চা চলছে।

ইনফ্লুয়েন্সারদের পকেটে লাখ লাখ টাকা! সামনে এলো সায়ক-শমীকের নাম

এই রিপোর্টের সবচেয়ে বিস্ফোরক অংশ হলো সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের পেমেন্ট। কমিশনে বিজেপির জমা দেওয়া নথিতে দেখা যাচ্ছে, প্রচারের জন্য পরিচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মোটা টাকা দেওয়া হয়েছে।
• সায়ক চক্রবর্তী: ২.৫ লক্ষ টাকা • শমীক অধিকারী: প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা 
এই তথ্য সামনে আসতেই বিতর্ক তুঙ্গে। যদিও সায়ক চক্রবর্তী জানিয়েছেন, "SIR নিয়ে টেকনিক্যাল ভিডিও এবং প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে কন্টেন্ট বানানোর জন্য এই টাকা নেওয়া, অলি পাব কাণ্ডের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।"

ISF এবং হুমায়ুন কবিরের দলের কী খবর?

অনেকেই জানতে চাইছেন ISF এবং হুমায়ুন কবিরের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি কত খরচ করেছে। যেহেতু এই দুটি দল এখনও কমিশনের কাছে অ-স্বীকৃত ছোট দল, তাই তাদের খরচের সরকারি হিসাব এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাদের খরচ কয়েক লক্ষ টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ বলে মনে করা হচ্ছে।

শেষ কথা: টাকা দিয়ে কি বাংলার মাটিতে ভোট কেনা যায়? ৮ কোটি বনাম ২৮৭ কোটির এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসবে, সেটাই এখন দেখার।

রিপোর্ট: সুখেন ঘোষ, আজকের রাজনীতি

Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ্য তথ্য ও নিজস্ব অনুসন্ধানের ভিত্তিতে লেখা।

গণতন্ত্র কি বিপন্ন? আদালত চত্বরে আইনজীবীকে ডিম, প্রাক্তন IPS-ও রেহাই পেলেন না!

বারুইপুর আদালতে যা ঘটল, তা শুধু একজন আইনজীবীর উপর হামলা নয়, গোটা বিচার ব্যবস্থার উপর হামলা।
আমি সকাল থেকেই খবরটা ফলো করছি। ভাঙড় কলেজের অশান্তির জের গিয়ে পড়ল বারুইপুর কোর্টে। আর সেখানেই হেনস্থার শিকার হলেন বাম নেতা ও আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জি।

ঘটনাটা ঠিক কী ঘটেছিল?

গত সোমবার ভাঙড় কলেজে নতুন পরিচালন সমিতির সভাপতি সায়ন্তন বসুকে ঢুকতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে SFI ও ISF সমর্থিত ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে ABVP-র তুমুল সংঘর্ষ হয়। পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে, যার মধ্যে SFI কনভেনর শাহরুখ আখতার আলি মোল্লা ও আসলাম হাবিব ছিল।

মঙ্গলবার তাদের বারুইপুর আদালতে তোলা হয়। তাদের হয়ে সওয়াল করতে যান আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জি। আদালত দুজনকে জামিন দেয়। আর তারপরই ঘটে আসল ঘটনা।

সায়ন বাবুর বক্তব্য অনুযায়ী, "রায় পছন্দ না হওয়ায়" আদালত চত্বরেই কালো কোর্ট পরা অবস্থায় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়, ইট ছোড়া হয়, গালিগালাজ করা হয়। প্রায় দু'ঘণ্টা তাঁকে আদালত কক্ষে আটকে থাকতে হয়। অভিযোগের তির ABVP-বিজেপি সমর্থকদের দিকে, যদিও ABVP তা অস্বীকার করেছে।

এরপর কী হলো?

এই ঘটনা হালকাভাবে নেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি গুগে ও বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করার নির্দেশ দিয়েছে। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেছেন, "আজ একজন আইনজীবী আক্রান্ত, কাল এ, বি, সি আক্রান্ত হবে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।"

বারুইপুরের জেলা জজ ও পুলিশ সুপারের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। বুধবার সকালে বারুইপুর আদালতের আইনজীবীরা প্রধান গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখান।

প্রতিবাদের ঝড়

এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ও সিপিআইএম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি লিখেছেন, "অন্যায়ভাবে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদের জামিন করিয়েছেন বলেই শুভেন্দু বাবুর চ্যালারা আক্রমণ করেছে। দাঙ্গাবাজদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।"

প্রতিবাদ জানিয়েছেন আরেক আইনজীবী ফিরদৌস শামিমও।

অন্যদিকে প্রাক্তন IPS অফিসার হুমায়ুন কবীর নিজেও কিছুদিন আগে পূর্ব যাদবপুর থানার সামনে হামলার শিকার হয়েছিলেন। তিনি লাইভে এসে বলেছিলেন, "৫০ জন পুলিশের সামনে আমাকে মারা হয়েছে।" আজ আইনজীবীদের উপর হামলা দেখে প্রশ্ন উঠছে - প্রাক্তন IPS-ই যদি নিরাপদ না থাকেন, আইনজীবীরাই যদি আদালতে নিরাপদ না থাকেন, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?

এখানেই প্রশ্ন, গণতন্ত্র কি সত্যিই বিপন্ন?

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বরাবরই বলেন আইনের শাসনের কথা। এবার দেখার, শাসক দল এই ঘটনায় কী অবস্থান নেয়। কারণ অভিযোগটা গুরুতর - আদালত চত্বরে মাস্তানি।

আপনারা কী মনে করেন? আদালত চত্বরে একজন আইনজীবীর গায়ে ডিম ছোড়া কি গণতন্ত্রের জন্য লজ্জার নয়? কমেন্টে জানান।

আজকের রাজনীতি এখানেই শেষ করছি। ভালো থাকবেন।

- Sukhen Ghosh

ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন 'ওয়েলকাম'-খ্যাত বল্লু, প্রয়াত প্রবীণ অভিনেতা মুশতাক খান

বলিউডে ফের নক্ষত্রপতন। ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা মুশতাক খান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর।
জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা প্রায় ৭টা নাগাদ মুম্বইয়ের নানাবতী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর বিজনেস পার্টনার শিবম যাদব সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, "আগেও একবার তাঁর ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়েছিল এবং তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু ৮ দিন আগে ফের ক্যান্সার রিল্যাপস করে। এটি ছিল লাস্ট স্টেজ ক্যান্সার।"  

ফেডারেশন অফ ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজ (FWICE)-এর প্রেসিডেন্ট বি এন তিওয়ারিও তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

স্মরণীয় পার্শ্বচরিত্র এবং নিখুঁত কমেডি টাইমিংয়ের জন্য পরিচিত এই অভিনেতা হিন্দি চলচ্চিত্রে এক দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখে গেছেন। চার দশকের কেরিয়ারে তিনি ৩০০-রও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

দর্শকদের কাছে তিনি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় 'ওয়েলকাম' (Welcome) সিনেমায় 'বল্লু' চরিত্রে। বিশেষ করে হকি-স্টিক ব্যবহারের সেই জনপ্রিয় দৃশ্য এবং "মেরি এক টাং নকলি হ্যায়, ম্যায় হকি কা বহুত বড়া খিলাড়ি থা..." সংলাপটি আজও দর্শকদের মনে গেঁথে আছে।  

এছাড়াও তাঁকে 'হেরা ফেরি', 'গদর: এক প্রেম কথা', 'জোড়ি নম্বর ১', 'মুঝসে শাদি করোগি', 'ওয়ান্টেড', 'ওয়েলকাম ব্যাক', 'গদর ২' এবং 'স্ত্রী ২'-এর মতো সিনেমায় দেখা গেছে। টেলিভিশনেও তিনি 'কুছ রং পেয়ার কে অ্যায়সে ভি' সহ বহু শোতে কাজ করেছেন।

তাঁর সহ-অভিনেতা সঞ্জয় মিশ্র তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তাঁর অভিনয় দর্শকদের উপহার দিয়েছে হাসি ও অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত। শান্তিতে বিশ্রাম নিন, মুশতাক খান।

রিপোর্ট: সুখেন ঘোষ - জার্নালিস্ট
আজকের রাজনীতি ডেলি নিউজ

#MushtaqKhan #Bollywood #WelcomeMovie #RIP #AjkerRajniti #SukhenGhosh #Filmfare

গুন্ডা দমন বিলে বড় ধাক্কা! রাষ্ট্রপতির অনুমোদন মিলল না, ফেরত গেল নবান্নে

গুন্ডা দমন বিলে বড় ধাক্কা! রাষ্ট্রপতির অনুমোদন মিলল না, ফেরত গেল নবান্নে

রাজ্যের বহু চর্চিত 'গুন্ডা দমন বিল' আপাতত আইন হচ্ছে না। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সই করেননি। পুনর্বিবেচনার জন্য বিলটি ফেরত পাঠানো হয়েছে রাজ্যে।
গত ২৯ জুন বিধানসভায় পাশ হয়েছিল The West Bengal Public Safety and Control of Anti-Social Activities Bill, 2026। রাজ্যপাল সই করলেও, কেন্দ্রের আপত্তিতেই আটকে গেল রাষ্ট্রপতি ভবনে।

আপত্তি কোথায়?
কেন্দ্র জানিয়েছে, এই বিলের একটি ধারা সরাসরি কেন্দ্রীয় NDPS Act, 1985-এর সঙ্গে সংঘাতে যাচ্ছে। বিলে মাদক সংক্রান্ত অপরাধে আলাদা করে প্রতিরোধমূলক আটকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা সংবিধানের ২৫৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হতে পারে না।

অথচ গত ১৩ জুলাই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, রাজ্যে এই আইন কার্যকর হয়ে গেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও প্রকাশ্যে দাবি করেছিলেন, এই আইনে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট আগেই স্পষ্ট জানিয়েছিল - রাষ্ট্রপতির অনুমোদন ছাড়া এই আইন কার্যকর নয়। আজ রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তে সেটাই প্রমাণ হলো।

মনে রাখতে হবে, এই বিলে পুলিশকে বিনা বিচারে ১ বছর পর্যন্ত আটক রাখার ক্ষমতা এবং ভাঙচুরের ক্ষতিপূরণ আদায়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো কঠোর ধারা রাখা হয়েছিল।

এবার প্রশ্ন, রাজ্য কি বিতর্কিত ধারা বাদ দিয়ে ফের বিল পাঠাবে? নাকি এই আইন নিয়েই নতুন রাজনীতি শুরু হবে বাংলায়?

আপনাদের মতামত কী? কমেন্টে জানান।

প্রতিবেদন : সুখেন ঘোষ
চ্যানেল : Ajker রাজনীতি 

৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম! জ্ঞানেশ কুমারের পর্দা ফাঁস? ইস্তফা না দিলে জেল? ২০২৯-এর আগে চাপে বিজেপি!

আজকের রাজনীতি - সুখেন ঘোষ (সোশ্যাল মিডিয়া সাংবাদিক) | 

ভারতের নির্বাচন কমিশনে ভয়ঙ্কর ফাটল! মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এবার ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম।
আজ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে বোমা ফাটালেন ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রধান **অভিজিৎ দীপকে**।

কী বললেন অভিজিৎ দীপকে?

"৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দিতে হবে। না দিলে দেশজুড়ে আন্দোলন হবে, দিল্লির যন্তর মন্তরে ফের ধর্নায় বসব। উনি নির্বাচনকে প্রভাবিত করেননি, নিশ্চিত করেছেন বিজেপি যেন ক্ষমতায় থাকে।"

CJP-র ৩টি প্রধান দাবি যা তোলপাড় ফেলেছে দেশে:

১. ইস্তফা: অবিলম্বে জ্ঞানেশ কুমারকে CEC পদ থেকে সরাতে হবে।
২. ফৌজদারি মামলা: জ্ঞানেশ কুমার ও তাঁকে যারা নির্দেশ দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা ও জেল।
৩. নির্বাচন স্থগিত ও পুরনো ভোটার তালিকা: বর্তমান SIR (Special Intensive Revision) বাতিল করে ২০২৫-এর ভোটার তালিকা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং আসন্ন নির্বাচন স্থগিত রাখতে হবে। সমস্ত নথি সুপ্রিম কোর্টের কমিটির কাছে জমা দিতে হবে।

এর পিছনে কারণ - Indian Express-এর রিপোর্টে ফাঁস, গত ১০ মাসে SIR ও Form 6 পরিবর্তন নিয়ে অন্য দুই কমিশনার ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন, যা উপেক্ষা করা হয়েছে।

কংগ্রেস ও রাহুল গান্ধী রাস্তায়

এই ইস্যুতে কংগ্রেসও মাঠে নেমেছে। রাহুল গান্ধী আজ বলেন, "ভোট চুরি থেকে আইন চুরির জন্ম।" Youth Congress ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। খবর, রাহুল গান্ধী নিজে রাস্তায় নেমে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন।

বামেরাও রাস্তায় - ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর

বামপন্থী দলগুলোও প্রেস কনফারেন্স করে জানিয়েছে, ২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতায় এবং ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন অভিযান হবে।

জ্ঞানেশ কুমার কি এবার জেলে? ২০২৯-এর আগে বিজেপি চাপে?

৬০ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, Form 6 বিতর্ক, কমিশনের অন্দরে বিদ্রোহ - সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, জ্ঞানেশ কুমারের জেল-যাত্রা কি কনফার্ম? আর এর জেরে ২০২৯ লোকসভার আগেই কি চাপে পড়ে গেল বিজেপি সরকার?

এই নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রমাণ সহ আলোচনা আজ রাত ৯ টায় আমার Youtube লাইভে।

আপনার কী মনে হয়? জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা দেওয়া উচিত? কমেন্টে জানান।

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে বড় চমক! বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একমাত্র বামেরা?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচন ২০২৬ ভোটের পর বদলে যাচ্ছে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ। কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আসার পর থেকে হকার উচ্ছেদ, ১৪ বছরের কম বয়সী গরু জবাই নিষিদ্ধ, NRC, বুলডোজার রাজনীতি, SIR এবং অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মতো জনবিরোধী ইস্যুতে রাস্তায় কারা ছিল? সাধারণ মানুষ বলছেন, এই সব আন্দোলনে মানুষের পাশে একমাত্র CPI(M) ও বামফ্রন্টকেই দেখা গেছে।
নন্দীগ্রাম: কংগ্রেসের শক্তি কতটা?নন্দীগ্রামের ইতিহাস বলছে, এখানে কংগ্রেস কখনোই শক্তিশালী ছিল না। পূর্ব মেদিনীপুর বা পশ্চিম মেদিনীপুরে গত বিধানসভা নির্বাচনেও কংগ্রেসের ভোট ছিল না । এবার উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী কার্যত নেই বললেই চলে। প্রার্থী ভয়ে প্রচার থেকে সরে গেছেন কিনা, তা নিয়ে মানুষের মধ্যেই গুঞ্জন চলছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নন্দীগ্রামে অক্সিজেন পাওয়ার চেষ্টা করছে এবং তৃণমূল  কংগ্রেসকে সাপোর্ট করবে। কিন্তু নন্দীগ্রামের মানুষ জানে, বিজেপির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক লড়াইয়ে বামেরাই ছিল।


রেজিনগর: লড়াই ত্রিমুখী 
রেজিনগরের ছবিটা আরও জটিল। সেখানে হুমায়ূনের প্রার্থী প্রচারে নেই। অভিযোগ উঠছে, হুমায়ুন কবীরের দলের কর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে। তাঁর ছেলে গোলাম নবী আজাদও প্রচারে থাকবেন না।অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী নিজেই এক সভায় বলেছেন, "আমার হয়ে কে প্রচার করবে, কে আমাকে ভোট দেবে?" এই মন্তব্যের পর তৃণমূল কর্মীরা কতটা তাঁর পাশে থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর মানুষের ভরসা কতটা, তা বিধানসভার ফলেই বোঝা যাবে। ফলে রেজিনগরের লড়াইটা এখন কংগ্রেস বনাম CPI(M) বনাম বিজেপির মধ্যে। যেকোনো দল জিততে পারে। রেজিনগরে প্রায় ৭০-৭৫% মুসলিম ভোট হলেও, হিন্দু ভোট এবার ভাগ হতে পারে। বিজেপি যদি ভাবে সব হিন্দু ভোট তাদের পকেটে, তাহলে তারা বড় ভুল করবে। বহু হিন্দু ভোটার এবার বিজেপির দিক থেকে মুখ ফেরাতে পারে।

নন্দীগ্রামে বামেরা হারানো জমি ফিরে পাওয়ার সুযোগ খুঁজছে, আর রেজিনগরে লড়াইটা প্রেস্টিজ ফাইট। দুই কেন্দ্রেই একটা বিষয় স্পষ্ট - বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে মাঠে থাকার বার্তা বামেরা দিতে পেরেছে, যা ভোটের বাক্সে চমক দিতে পারে।

আপনার কী মনে হয়? নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে এবার কে জিতবে? কমেন্টে জানান।