This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

West Bengal Politics লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
West Bengal Politics লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সামনে এলো পুরো ফাইল! বিজেপি ২৮৭ কোটি, কংগ্রেস ৪২ কোটি, বামেদের...? তৃণমূল লুকাচ্ছে কেন?

সামনে এলো নির্বাচন কমিশনের গোপন ফাইল! বাংলায় টাকার খেলায় কে এগিয়ে?
কলকাতা, আজকের রাজনীতি ডেস্ক: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট মিটে গেলেও, ভোটের খরচ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বাংলায়। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া রাজনৈতিক দলগুলির খরচের হিসাবেই সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আর সেই তথ্যেই রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

আজকের রাজনীতির হাতে আসা সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলার মাটিতে প্রচারে সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

এক নজরে কে কত খরচ করলো?

নির্বাচন কমিশনের নথি বলছে -

> বিজেপি: ২৮৭ কোটি টাকা
শুধু পশ্চিমবঙ্গেই বিজেপি খরচ করেছে ২৮৭ কোটি টাকা। যা পাঁচ রাজ্যের মোট খরচের ৫৪ শতাংশেরও বেশি।

> তৃণমূল কংগ্রেস: হিসাব গায়েব!
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত তাদের খরচের চূড়ান্ত হিসাব কমিশনে জমা দেয়নি। কেন এই লুকোচুরি? প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা।

> কংগ্রেস: ৪২ কোটি ৮ লক্ষ টাকা
জাতীয় কংগ্রেস বাংলার জন্য বরাদ্দ করেছিল ৪২ কোটি ৮ লক্ষ টাকা।

> বামেরা...? সিপিআইএম: প্রায় ৮ কোটি টাকা
সবচেয়ে কম খরচে লড়াই করেছে সিপিআইএম। বামেদের খরচ মাত্র ৮ কোটি টাকার কাছাকাছি। অল্প টাকায় লড়াই করেও বামেদের এই লড়াকু মানসিকতা নিয়ে চর্চা চলছে।

ইনফ্লুয়েন্সারদের পকেটে লাখ লাখ টাকা! সামনে এলো সায়ক-শমীকের নাম

এই রিপোর্টের সবচেয়ে বিস্ফোরক অংশ হলো সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের পেমেন্ট। কমিশনে বিজেপির জমা দেওয়া নথিতে দেখা যাচ্ছে, প্রচারের জন্য পরিচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মোটা টাকা দেওয়া হয়েছে।
• সায়ক চক্রবর্তী: ২.৫ লক্ষ টাকা • শমীক অধিকারী: প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা 
এই তথ্য সামনে আসতেই বিতর্ক তুঙ্গে। যদিও সায়ক চক্রবর্তী জানিয়েছেন, "SIR নিয়ে টেকনিক্যাল ভিডিও এবং প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে কন্টেন্ট বানানোর জন্য এই টাকা নেওয়া, অলি পাব কাণ্ডের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।"

ISF এবং হুমায়ুন কবিরের দলের কী খবর?

অনেকেই জানতে চাইছেন ISF এবং হুমায়ুন কবিরের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি কত খরচ করেছে। যেহেতু এই দুটি দল এখনও কমিশনের কাছে অ-স্বীকৃত ছোট দল, তাই তাদের খরচের সরকারি হিসাব এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাদের খরচ কয়েক লক্ষ টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ বলে মনে করা হচ্ছে।

শেষ কথা: টাকা দিয়ে কি বাংলার মাটিতে ভোট কেনা যায়? ৮ কোটি বনাম ২৮৭ কোটির এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসবে, সেটাই এখন দেখার।

রিপোর্ট: সুখেন ঘোষ, আজকের রাজনীতি

Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ্য তথ্য ও নিজস্ব অনুসন্ধানের ভিত্তিতে লেখা।

গণতন্ত্র কি বিপন্ন? আদালত চত্বরে আইনজীবীকে ডিম, প্রাক্তন IPS-ও রেহাই পেলেন না!

বারুইপুর আদালতে যা ঘটল, তা শুধু একজন আইনজীবীর উপর হামলা নয়, গোটা বিচার ব্যবস্থার উপর হামলা।
আমি সকাল থেকেই খবরটা ফলো করছি। ভাঙড় কলেজের অশান্তির জের গিয়ে পড়ল বারুইপুর কোর্টে। আর সেখানেই হেনস্থার শিকার হলেন বাম নেতা ও আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জি।

ঘটনাটা ঠিক কী ঘটেছিল?

গত সোমবার ভাঙড় কলেজে নতুন পরিচালন সমিতির সভাপতি সায়ন্তন বসুকে ঢুকতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে SFI ও ISF সমর্থিত ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে ABVP-র তুমুল সংঘর্ষ হয়। পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে, যার মধ্যে SFI কনভেনর শাহরুখ আখতার আলি মোল্লা ও আসলাম হাবিব ছিল।

মঙ্গলবার তাদের বারুইপুর আদালতে তোলা হয়। তাদের হয়ে সওয়াল করতে যান আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জি। আদালত দুজনকে জামিন দেয়। আর তারপরই ঘটে আসল ঘটনা।

সায়ন বাবুর বক্তব্য অনুযায়ী, "রায় পছন্দ না হওয়ায়" আদালত চত্বরেই কালো কোর্ট পরা অবস্থায় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়, ইট ছোড়া হয়, গালিগালাজ করা হয়। প্রায় দু'ঘণ্টা তাঁকে আদালত কক্ষে আটকে থাকতে হয়। অভিযোগের তির ABVP-বিজেপি সমর্থকদের দিকে, যদিও ABVP তা অস্বীকার করেছে।

এরপর কী হলো?

এই ঘটনা হালকাভাবে নেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি গুগে ও বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করার নির্দেশ দিয়েছে। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেছেন, "আজ একজন আইনজীবী আক্রান্ত, কাল এ, বি, সি আক্রান্ত হবে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।"

বারুইপুরের জেলা জজ ও পুলিশ সুপারের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। বুধবার সকালে বারুইপুর আদালতের আইনজীবীরা প্রধান গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখান।

প্রতিবাদের ঝড়

এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ও সিপিআইএম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি লিখেছেন, "অন্যায়ভাবে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদের জামিন করিয়েছেন বলেই শুভেন্দু বাবুর চ্যালারা আক্রমণ করেছে। দাঙ্গাবাজদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।"

প্রতিবাদ জানিয়েছেন আরেক আইনজীবী ফিরদৌস শামিমও।

অন্যদিকে প্রাক্তন IPS অফিসার হুমায়ুন কবীর নিজেও কিছুদিন আগে পূর্ব যাদবপুর থানার সামনে হামলার শিকার হয়েছিলেন। তিনি লাইভে এসে বলেছিলেন, "৫০ জন পুলিশের সামনে আমাকে মারা হয়েছে।" আজ আইনজীবীদের উপর হামলা দেখে প্রশ্ন উঠছে - প্রাক্তন IPS-ই যদি নিরাপদ না থাকেন, আইনজীবীরাই যদি আদালতে নিরাপদ না থাকেন, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?

এখানেই প্রশ্ন, গণতন্ত্র কি সত্যিই বিপন্ন?

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বরাবরই বলেন আইনের শাসনের কথা। এবার দেখার, শাসক দল এই ঘটনায় কী অবস্থান নেয়। কারণ অভিযোগটা গুরুতর - আদালত চত্বরে মাস্তানি।

আপনারা কী মনে করেন? আদালত চত্বরে একজন আইনজীবীর গায়ে ডিম ছোড়া কি গণতন্ত্রের জন্য লজ্জার নয়? কমেন্টে জানান।

আজকের রাজনীতি এখানেই শেষ করছি। ভালো থাকবেন।

- Sukhen Ghosh

ISF-এ বড় ভাঙন! একসঙ্গে ইস্তফা রাজ্য সভাপতি ও সহ-সভাপতির

ভাঙড় থেকে শুরু হওয়া ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টে (ISF) বড়সড় ভাঙন। দলের দুই শীর্ষ নেতা একসঙ্গে পদত্যাগ করলেন।
আজ, ২৩শে সেপ্টেম্বর পদত্যাগের ঘোষণা করলেন দলের রাজ্য সহ-সভাপতি তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি তাপস ব্যানার্জি**। তার কয়েকদিন আগেই, ১৮ই সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেছেন দলের রাজ্য সভাপতি **সামসুর আলী মল্লিক ওরফে মনসুর।

কেন পদত্যাগ?

ভিডিও বার্তায় তাপস ব্যানার্জি জানিয়েছেন, ৫ বছর ধরে দল করেছেন। কিন্তু দলে কোনও গণতন্ত্র নেই। দুই বছর অন্তর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও তা হয় না। প্রার্থী বাছাই নিয়েও আলোচনা হয় না। ১৮ই সেপ্টেম্বর রাজ্য কমিটির বৈঠকে তাঁকে অপমান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।

অন্যদিকে, রাজ্য সভাপতি সামসুর আলী মল্লিকের অভিযোগ আরও গুরুতর। তাঁর দাবি, ফুরফুরা শরিফে কেন্দ্রীয় অফিসে শো-কজের পর বৈঠকে চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকীর সামনেই তাঁকে মারতে যাওয়া হয়, ধাক্কা দেওয়া হয়। "দলটা দলিত-আদিবাসী-মুসলিমদের স্বপ্ন নিয়ে গড়েছিলাম, কিন্তু এখন গুন্ডামির পরিবেশ" - বলেন তিনি।

রাজনৈতিক মহলের মতে, নওশাদ সিদ্দিকী বনাম আব্দুল মালেক গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বই এই ভাঙনের কারণ। ২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে এই জোড়া পদত্যাগ ISF-কে বড় ধাক্কা দিল।