This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

SFI লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
SFI লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

South Calcutta Law কলেজে ফের উত্তেজনা: পতাকা বিতর্কে SFI- ABVP সংঘর্ষ, হস্তক্ষেপ পুলিশের

রিপোর্টার: সুখেন ঘোষ, কলকাতা
কলকাতা, ২৬ সেপ্টেম্বর: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে কসবার সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজ। শুক্রবার দুপুরে সাংগঠনিক পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বাম ছাত্র সংগঠন SFI এবং ABVP-র মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বাধে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি থাম্বনেইল ভাইরাল হয়েছে যেখানে দাবি করা হচ্ছে, "জাতীয় পতাকা খুলে নিজেদের পতাকা লাগালো ABVP"। কিন্তু আমাদের অনুসন্ধানে এবং পুলিশ সূত্রে এই দাবির কোনও সরকারি সত্যতা মেলেনি।

ঠিক কী ঘটেছিল?
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে ক্যাম্পাসে ABVP-র গেরুয়া পতাকা লাগানো হয়। বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানায় SFI। এরপর SFI-ও নিজেদের পতাকা লাগায়। অভিযোগ, ABVP সেই পতাকা খুলে দেয়। তা থেকেই প্রথমে স্লোগান, পরে হাতাহাতি।

SFI মুখপাত্র সত্যজিৎ ভান্ডারীর বক্তব্য, "আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েই পতাকা লাগিয়েছিলাম। ABVP আমাদের পতাকা খুলে দেয় এবং মহিলা কর্মীদের ওপর হামলা করে।"

পাল্টা ABVP নেতা অনন্ত বারুইয়ের অভিযোগ, "SFI বহিরাগতদের নিয়ে এসে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। SFI ক্যাম্পাসে একচেটিয়া দখলদারি চালাতে চায়।"

কলেজ কর্তৃপক্ষ কী বলছে?
ভাইস প্রিন্সিপাল ড. নয়না চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, "কলেজ চত্বরে কোনও রাজনৈতিক সংগঠনের পতাকা লাগানো যাবে না। আমরা উভয় পক্ষকেই সতর্ক করেছি।"

পুরনো বিতর্কের ছায়া:
এই কলেজটি ২০২৫ সালের ২৫ জুন এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দেশজুড়ে আলোচনায় এসেছিল। সেই মামলায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক নেতা-সহ তিনজন গ্রেফতার হয়েছিল। তারপর থেকেই কলেজে রাজনৈতিক উত্তেজনা লেগেই আছে।
আজকের রাজনীতির Fact Check: ভাইরাল ভিডিওতে জাতীয় পতাকা অবমাননার যে দাবি করা হচ্ছে, তার সমর্থনে এখনও পর্যন্ত কোনও FIR বা কলেজের লিখিত অভিযোগ নেই। বিষয়টি সাংগঠনিক পতাকা বিতর্ক বলেই পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে।

কেরালায় ABVP-র লজ্জা! 400 কলেজে মাত্র 5 টা জয়, SFI একাই 355 - ত্রিপুনিথুরায় বিনা লড়াইয়ে জয়?

কেরালার ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে SFI-র বিপুল জয়। SFI 355+, KSU 73, ABVP 5। Tripunithura Sanskrit College-এ ABVP-র বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের আসল সত্য জানুন।
 Kerala Election 2026: SFI 355 | ABVP 5 | KSU 73
কেরালা ছাত্র সংসদ নির্বাচন 2026: SFI 350 পার, ABVP আটকে 5-এ! আসল হিসাব কী বলছে?
কেরালা ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই রকম প্রচার চলছে। একদিকে বলা হচ্ছে SFI সব উড়িয়ে দিয়েছে, অন্যদিকে ABVP ৪০ বছরের দুর্গ ভেঙেছে। আসল সত্যটা কী? ৪টি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করলাম আমরা।
৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত ফলাফল (2026)
এবার কেরালা, কান্নুর, কালিকট এবং মহাত্মা গান্ধী - এই ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কলেজগুলোতে ভোট হয়েছে।
এই ফল থেকে ৩টি বিষয় পরিষ্কার:

১. SFI-র দাপট এখনও অটুট: রাজ্যে শাসক দল বাম হলেও ছাত্রদের মধ্যে SFI-র সংগঠন সবচেয়ে শক্তিশালী। তারা একাই ৩৫৫টির বেশি কলেজ ইউনিয়ন দখল করেছে।

২. ABVP শূন্য নয়, কিন্তু ৫-এ আটকে: ABVP মোট ৫টি কলেজে জিতেছে। কেরালায় BJP বাড়লেও ছাত্র রাজনীতিতে তারা এখনও দাগ কাটতে পারেনি।

৩. কংগ্রেস ছাত্র সংগঠন KSU-র ভরাডুবি: আলাপ্পুঝা, যা এ কে অ্যান্টনি, কে সি বেণুগোপালদের জেলা, সেখানে KSU একটি কলেজেও জিততে পারেনি। এটা কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা।
Tripunithura Government Sanskrit College - ৪০ বছরের দুর্গ ভাঙার আসল গল্প কী?
এটাই এখন সবচেয়ে ভাইরাল খবর। ABVP দাবি করছে তারা ৪০ বছরের SFI দুর্গ ভেঙে ১২টি পদেই জিতেছে।
কেরালা ইউনিভার্সিটি: SFI ৬৫ টি কলেজে জয়ী (তার মধ্যে ৪৫ টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), KSU ৯ টি, ABVP ২ টি • কান্নুর ইউনিভার্সিটি: SFI ৬০ টি (৩৯ টি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), KSU ১২ টি, ABVP ২ টি • কালিকট ইউনিভার্সিটি: SFI ১২৭ টি, MSF ৪৭ টি, KSU ২১ টি, ABVP ১ টি • মহাত্মা গান্ধী ইউনিভার্সিটি (MGU): SFI ১০৩ টি, KSU ৩১ টি 
মানে ABVP মোট ৫ টা কলেজ ইউনিয়ন জিতেছে, ১ টা নয়। আর SFI একাই ৩৫০+ কলেজে জিতেছে। তাই SFI-র দাপট আছে, এটা সত্যি।  

আসল ঘটনা হলো: এই কলেজটি MGU-র অধীনে। গত বছর ২০২৫ সালে এখানে ABVP ভোটে লড়ে SFI-কে হারিয়ে ১০টি পদে জিতেছিল। এটা সত্যি।

কিন্তু এবার ২০২৬ সালে SFI এবং KSU কোনো প্রার্থীই দেয়নি। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর দেখা যায় শুধু ABVP-র প্রার্থীরা আছে। ফলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১২টি পদে জয়ী হয়েছে।

অর্থাৎ, এবার ভোটের মাঠে লড়াই হয়নি, ওয়াকওভার হয়েছে। SFI-র অভিযোগ, তাদের কর্মীদের ভয় দেখানো হয়েছে, তাই তারা প্রার্থী দিতে পারেনি। ABVP-র বক্তব্য, ছাত্ররা SFI-কে প্রত্যাখ্যান করেছে।
উপসংহার: কেরালার বার্তা কী?
কেরালা আবার প্রমাণ করল, সেখানে ছাত্র রাজনীতিতে এখনও লাল ঝান্ডাই এগিয়ে। ABVP-র জন্য Tripunithura-র জয় প্রতীকী জয়, সাংগঠনিক জয় - কিন্তু রাজ্যজুড়ে ছবিটা এখনও SFI-ময়।

বাংলার ছাত্র রাজনীতির জন্য এর কী বার্তা? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

Tags: Kerala Student Election 2026, SFI, ABVP, KSU, Kerala University Election, Kannur University, Tripunithura Sanskrit College, Ajker Rajniti, Sukhen Ghosh



বারুইপুর কোর্ট চত্বরে CPIM নেতা আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জীকে লক্ষ্য করে ডিম হামলা! উত্তপ্ত আদালত

বারুইপুর কোর্ট চত্বরে আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জীর ওপর ডিম হামলা! ভাঙড় কাণ্ডে ফের উত্তেজনা

ভাঙড় কলেজের অশান্তির আঁচ এবার পৌঁছল বারুইপুর আদালত চত্বরে। আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ডিম ছোড়ার অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।

কী ঘটেছিল?
সোমবার ভাঙড় কলেজে SFI, ISF এবং ABVP ছাত্র সংগঠনের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সেই ঘটনায় পুলিশ দুই SFI কর্মী শাহরুখ আখতার আলি মোল্লা ও আসলাম হাবিবকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তাঁদের বারুইপুর আদালতে পেশ করা হয়।

ধৃতদের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন পরিচিত বামপন্থী আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালত দুজনকেই জামিন দেয়।

সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, জামিনের পর তিনি যখন কালো কোর্ট পরে আদালতের বাইরে বেরিয়ে আসেন, তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। পরে ইট ছোড়া এবং গালিগালাজও করা হয়। প্রায় দু ঘণ্টা তাঁকে আদালত চত্বরেই আটকে থাকতে হয়।

তাঁর বক্তব্য, "একজন আইনজীবীর উপরে আদালত চত্বরে ডিম ছোড়া হচ্ছে। এ কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি আমরা। নিরাপত্তা কোথায়?"

হামলার নেপথ্যে কারা?
প্রাথমিকভাবে অভিযোগের তীর ABVP সমর্থকদের দিকে। যদিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ABVP সমর্থকরা ডিম ছোড়ার কথা অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে SFI-র দাবি, পরিকল্পিতভাবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বারুইপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং আদালত চত্বর ফাঁকা করে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ডিম ছোড়ার কোনও প্রমাণ পায়নি। নির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ জমা পড়লে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি।

সরব বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য
ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, আইনের পথে দাঁড়িয়ে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদের জামিন করানোর অপরাধেই সায়নের উপর শারীরিক হামলা হয়েছে। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি এবং আইনজীবীদের ধিক্কার সমাবেশের ডাক দিয়েছেন।

আদালত চত্বরের মতো সুরক্ষিত জায়গায় একজন আইনজীবীর উপর এই ধরনের হামলা আইনের শাসন নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।