আজকের রাজনীতি - সুখেন ঘোষ (সোশ্যাল মিডিয়া সাংবাদিক) |
ভারতের নির্বাচন কমিশনে ভয়ঙ্কর ফাটল! মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এবার ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম।
আজ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে বোমা ফাটালেন ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রধান **অভিজিৎ দীপকে**।
কী বললেন অভিজিৎ দীপকে?
"৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দিতে হবে। না দিলে দেশজুড়ে আন্দোলন হবে, দিল্লির যন্তর মন্তরে ফের ধর্নায় বসব। উনি নির্বাচনকে প্রভাবিত করেননি, নিশ্চিত করেছেন বিজেপি যেন ক্ষমতায় থাকে।"
CJP-র ৩টি প্রধান দাবি যা তোলপাড় ফেলেছে দেশে:
১. ইস্তফা: অবিলম্বে জ্ঞানেশ কুমারকে CEC পদ থেকে সরাতে হবে।
২. ফৌজদারি মামলা: জ্ঞানেশ কুমার ও তাঁকে যারা নির্দেশ দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা ও জেল।
৩. নির্বাচন স্থগিত ও পুরনো ভোটার তালিকা: বর্তমান SIR (Special Intensive Revision) বাতিল করে ২০২৫-এর ভোটার তালিকা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং আসন্ন নির্বাচন স্থগিত রাখতে হবে। সমস্ত নথি সুপ্রিম কোর্টের কমিটির কাছে জমা দিতে হবে।
এর পিছনে কারণ - Indian Express-এর রিপোর্টে ফাঁস, গত ১০ মাসে SIR ও Form 6 পরিবর্তন নিয়ে অন্য দুই কমিশনার ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন, যা উপেক্ষা করা হয়েছে।
কংগ্রেস ও রাহুল গান্ধী রাস্তায়
এই ইস্যুতে কংগ্রেসও মাঠে নেমেছে। রাহুল গান্ধী আজ বলেন, "ভোট চুরি থেকে আইন চুরির জন্ম।" Youth Congress ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। খবর, রাহুল গান্ধী নিজে রাস্তায় নেমে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন।
বামেরাও রাস্তায় - ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর
বামপন্থী দলগুলোও প্রেস কনফারেন্স করে জানিয়েছে, ২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতায় এবং ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন অভিযান হবে।
জ্ঞানেশ কুমার কি এবার জেলে? ২০২৯-এর আগে বিজেপি চাপে?
৬০ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, Form 6 বিতর্ক, কমিশনের অন্দরে বিদ্রোহ - সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, জ্ঞানেশ কুমারের জেল-যাত্রা কি কনফার্ম? আর এর জেরে ২০২৯ লোকসভার আগেই কি চাপে পড়ে গেল বিজেপি সরকার?
এই নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রমাণ সহ আলোচনা আজ রাত ৯ টায় আমার Youtube লাইভে।
আপনার কী মনে হয়? জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা দেওয়া উচিত? কমেন্টে জানান।











