পাকিস্তানের ওপেনার থেকে বলিউডের হিরো - মোহসিন খানের অচেনা ইনিংস!

 Game Info Special | ক্রিকেট থেকে সিনেমা

পাকিস্তানের ওপেনার থেকে বলিউডের হিরো - মোহসিন খানের অচেনা ইনিংস!

৯০-এর দশকের সুপারহিট ছবি ‘সাথী’। সেই বিখ্যাত গান ‘জিন্দেগি কি তলাশ মে হাম মৌত কে কিতনা পাস আ গয়ে’ আজও গুনগুন করে গোটা প্রজন্ম। আদিত্য পাঞ্চোলির সঙ্গে দ্বিতীয় নায়ক হিসেবে যে সুদর্শন যুবককে দেখা গিয়েছিল অমরের চরিত্রে, তিনি আর কেউ নন, পাকিস্তানের টেস্ট ওপেনার মোহসিন খান।


হ্যাঁ, ক্রিকেট মাঠের লড়াই ছেড়ে বলিউডের রুপালি পর্দায় নায়ক হয়েছিলেন এই পাক তারকা।


১. ক্রিকেট মাঠের মোহসিন:


১৯৭৭ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত পাকিস্তানের জার্সিতে দাপিয়ে খেলেছেন মোহসিন খান। ৪৮টি টেস্ট ও ৭৫টি একদিনের ম্যাচে তিনি ছিলেন পাকিস্তানের ভরসাযোগ্য ওপেনার।  


তাঁর নামের পাশে এক অনন্য রেকর্ডও আছে - তিনিই প্রথম এবং একমাত্র এশীয় ক্রিকেটার যিনি লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। ১৯৮২ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লর্ডসে তাঁর ২০০ রান আজও ইতিহাস।  


২. বলিউডে সেকেন্ড ইনিংস:


ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে তিনি পা রাখেন মায়ানগরীতে। বলিউড অভিনেত্রী রীনা রায়কে বিয়ে করার পর সিনেমার প্রতি আগ্রহ বাড়ে। পরিচালক জে.পি. দত্তার ‘বাটোয়ারা’ ছবির মাধ্যমে ১৯৮৯ সালে তাঁর হিন্দি সিনেমায় অভিষেক হয়।  


এরপর একে একে করেছেন ‘ফতেহ’ (সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে), ‘গুনাহগার কৌন’, ‘প্রতিকার’, ‘লাট সাহেব’, ‘ম্যাডাম এক্স’ এবং ‘মহান্তা’-র মতো ছবি।


তবে তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল মহেশ ভাটের ক্রাইম থ্রিলার ‘সাথী’ (১৯৯১), যেখানে আদিত্য পাঞ্চোলি ও বর্ষা উসগাওকরের সঙ্গে তিনি ছিলেন অন্যতম প্রধান মুখ। ১৯৯৭ সালের ‘মহান্তা’ ছিল তাঁর শেষ হিন্দি ছবি।  


৩. রীনা রায় ও ব্যক্তিগত জীবন:


১৯৮৩ সালে বলিউডের তৎকালীন টপ অভিনেত্রী রীনা রায়কে বিয়ে করে তুমুল আলোচনায় আসেন মোহসিন। পরে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়।


পাকিস্তানের ক্রিকেট মাঠ থেকে বলিউডের নায়ক, আবার সেখান থেকে কোচ ও ধারাভাষ্যকার - মোহসিন খানের জীবনটা সত্যিই সিনেমার চিত্রনাট্যের চেয়ে কম কিছু নয়।


আপনি কি জানতেন এই গল্পটা? এমনই হারিয়ে যাওয়া ক্রিকেট কাহিনি জানতে চোখ রাখুন Game Info পেজে।


Game Info | Sukhen Ghosh - Reporting


#MohsinKhan #Saathi #BollywoodAndCricket #ReenaRoy #GameInfo #CricketHistory #90sBollywood


0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন