This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

West Bengal News লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
West Bengal News লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

গুন্ডা দমন বিলে বড় ধাক্কা! রাষ্ট্রপতির অনুমোদন মিলল না, ফেরত গেল নবান্নে

গুন্ডা দমন বিলে বড় ধাক্কা! রাষ্ট্রপতির অনুমোদন মিলল না, ফেরত গেল নবান্নে

রাজ্যের বহু চর্চিত 'গুন্ডা দমন বিল' আপাতত আইন হচ্ছে না। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সই করেননি। পুনর্বিবেচনার জন্য বিলটি ফেরত পাঠানো হয়েছে রাজ্যে।
গত ২৯ জুন বিধানসভায় পাশ হয়েছিল The West Bengal Public Safety and Control of Anti-Social Activities Bill, 2026। রাজ্যপাল সই করলেও, কেন্দ্রের আপত্তিতেই আটকে গেল রাষ্ট্রপতি ভবনে।

আপত্তি কোথায়?
কেন্দ্র জানিয়েছে, এই বিলের একটি ধারা সরাসরি কেন্দ্রীয় NDPS Act, 1985-এর সঙ্গে সংঘাতে যাচ্ছে। বিলে মাদক সংক্রান্ত অপরাধে আলাদা করে প্রতিরোধমূলক আটকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা সংবিধানের ২৫৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হতে পারে না।

অথচ গত ১৩ জুলাই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, রাজ্যে এই আইন কার্যকর হয়ে গেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও প্রকাশ্যে দাবি করেছিলেন, এই আইনে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট আগেই স্পষ্ট জানিয়েছিল - রাষ্ট্রপতির অনুমোদন ছাড়া এই আইন কার্যকর নয়। আজ রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তে সেটাই প্রমাণ হলো।

মনে রাখতে হবে, এই বিলে পুলিশকে বিনা বিচারে ১ বছর পর্যন্ত আটক রাখার ক্ষমতা এবং ভাঙচুরের ক্ষতিপূরণ আদায়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো কঠোর ধারা রাখা হয়েছিল।

এবার প্রশ্ন, রাজ্য কি বিতর্কিত ধারা বাদ দিয়ে ফের বিল পাঠাবে? নাকি এই আইন নিয়েই নতুন রাজনীতি শুরু হবে বাংলায়?

আপনাদের মতামত কী? কমেন্টে জানান।

প্রতিবেদন : সুখেন ঘোষ
চ্যানেল : Ajker রাজনীতি 

বারুইপুর কোর্ট চত্বরে CPIM নেতা আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জীকে লক্ষ্য করে ডিম হামলা! উত্তপ্ত আদালত

বারুইপুর কোর্ট চত্বরে আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জীর ওপর ডিম হামলা! ভাঙড় কাণ্ডে ফের উত্তেজনা

ভাঙড় কলেজের অশান্তির আঁচ এবার পৌঁছল বারুইপুর আদালত চত্বরে। আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ডিম ছোড়ার অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।

কী ঘটেছিল?
সোমবার ভাঙড় কলেজে SFI, ISF এবং ABVP ছাত্র সংগঠনের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সেই ঘটনায় পুলিশ দুই SFI কর্মী শাহরুখ আখতার আলি মোল্লা ও আসলাম হাবিবকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তাঁদের বারুইপুর আদালতে পেশ করা হয়।

ধৃতদের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন পরিচিত বামপন্থী আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালত দুজনকেই জামিন দেয়।

সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, জামিনের পর তিনি যখন কালো কোর্ট পরে আদালতের বাইরে বেরিয়ে আসেন, তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। পরে ইট ছোড়া এবং গালিগালাজও করা হয়। প্রায় দু ঘণ্টা তাঁকে আদালত চত্বরেই আটকে থাকতে হয়।

তাঁর বক্তব্য, "একজন আইনজীবীর উপরে আদালত চত্বরে ডিম ছোড়া হচ্ছে। এ কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি আমরা। নিরাপত্তা কোথায়?"

হামলার নেপথ্যে কারা?
প্রাথমিকভাবে অভিযোগের তীর ABVP সমর্থকদের দিকে। যদিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ABVP সমর্থকরা ডিম ছোড়ার কথা অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে SFI-র দাবি, পরিকল্পিতভাবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বারুইপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং আদালত চত্বর ফাঁকা করে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ডিম ছোড়ার কোনও প্রমাণ পায়নি। নির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ জমা পড়লে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি।

সরব বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য
ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, আইনের পথে দাঁড়িয়ে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদের জামিন করানোর অপরাধেই সায়নের উপর শারীরিক হামলা হয়েছে। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি এবং আইনজীবীদের ধিক্কার সমাবেশের ডাক দিয়েছেন।

আদালত চত্বরের মতো সুরক্ষিত জায়গায় একজন আইনজীবীর উপর এই ধরনের হামলা আইনের শাসন নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।