This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Ajker Rajniti লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Ajker Rajniti লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সামনে এলো পুরো ফাইল! বিজেপি ২৮৭ কোটি, কংগ্রেস ৪২ কোটি, বামেদের...? তৃণমূল লুকাচ্ছে কেন?

সামনে এলো নির্বাচন কমিশনের গোপন ফাইল! বাংলায় টাকার খেলায় কে এগিয়ে?
কলকাতা, আজকের রাজনীতি ডেস্ক: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট মিটে গেলেও, ভোটের খরচ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বাংলায়। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া রাজনৈতিক দলগুলির খরচের হিসাবেই সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আর সেই তথ্যেই রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

আজকের রাজনীতির হাতে আসা সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলার মাটিতে প্রচারে সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

এক নজরে কে কত খরচ করলো?

নির্বাচন কমিশনের নথি বলছে -

> বিজেপি: ২৮৭ কোটি টাকা
শুধু পশ্চিমবঙ্গেই বিজেপি খরচ করেছে ২৮৭ কোটি টাকা। যা পাঁচ রাজ্যের মোট খরচের ৫৪ শতাংশেরও বেশি।

> তৃণমূল কংগ্রেস: হিসাব গায়েব!
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত তাদের খরচের চূড়ান্ত হিসাব কমিশনে জমা দেয়নি। কেন এই লুকোচুরি? প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা।

> কংগ্রেস: ৪২ কোটি ৮ লক্ষ টাকা
জাতীয় কংগ্রেস বাংলার জন্য বরাদ্দ করেছিল ৪২ কোটি ৮ লক্ষ টাকা।

> বামেরা...? সিপিআইএম: প্রায় ৮ কোটি টাকা
সবচেয়ে কম খরচে লড়াই করেছে সিপিআইএম। বামেদের খরচ মাত্র ৮ কোটি টাকার কাছাকাছি। অল্প টাকায় লড়াই করেও বামেদের এই লড়াকু মানসিকতা নিয়ে চর্চা চলছে।

ইনফ্লুয়েন্সারদের পকেটে লাখ লাখ টাকা! সামনে এলো সায়ক-শমীকের নাম

এই রিপোর্টের সবচেয়ে বিস্ফোরক অংশ হলো সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের পেমেন্ট। কমিশনে বিজেপির জমা দেওয়া নথিতে দেখা যাচ্ছে, প্রচারের জন্য পরিচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মোটা টাকা দেওয়া হয়েছে।
• সায়ক চক্রবর্তী: ২.৫ লক্ষ টাকা • শমীক অধিকারী: প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা 
এই তথ্য সামনে আসতেই বিতর্ক তুঙ্গে। যদিও সায়ক চক্রবর্তী জানিয়েছেন, "SIR নিয়ে টেকনিক্যাল ভিডিও এবং প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে কন্টেন্ট বানানোর জন্য এই টাকা নেওয়া, অলি পাব কাণ্ডের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।"

ISF এবং হুমায়ুন কবিরের দলের কী খবর?

অনেকেই জানতে চাইছেন ISF এবং হুমায়ুন কবিরের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি কত খরচ করেছে। যেহেতু এই দুটি দল এখনও কমিশনের কাছে অ-স্বীকৃত ছোট দল, তাই তাদের খরচের সরকারি হিসাব এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাদের খরচ কয়েক লক্ষ টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ বলে মনে করা হচ্ছে।

শেষ কথা: টাকা দিয়ে কি বাংলার মাটিতে ভোট কেনা যায়? ৮ কোটি বনাম ২৮৭ কোটির এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসবে, সেটাই এখন দেখার।

রিপোর্ট: সুখেন ঘোষ, আজকের রাজনীতি

Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ্য তথ্য ও নিজস্ব অনুসন্ধানের ভিত্তিতে লেখা।

গণতন্ত্র কি বিপন্ন? আদালত চত্বরে আইনজীবীকে ডিম, প্রাক্তন IPS-ও রেহাই পেলেন না!

বারুইপুর আদালতে যা ঘটল, তা শুধু একজন আইনজীবীর উপর হামলা নয়, গোটা বিচার ব্যবস্থার উপর হামলা।
আমি সকাল থেকেই খবরটা ফলো করছি। ভাঙড় কলেজের অশান্তির জের গিয়ে পড়ল বারুইপুর কোর্টে। আর সেখানেই হেনস্থার শিকার হলেন বাম নেতা ও আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জি।

ঘটনাটা ঠিক কী ঘটেছিল?

গত সোমবার ভাঙড় কলেজে নতুন পরিচালন সমিতির সভাপতি সায়ন্তন বসুকে ঢুকতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে SFI ও ISF সমর্থিত ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে ABVP-র তুমুল সংঘর্ষ হয়। পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে, যার মধ্যে SFI কনভেনর শাহরুখ আখতার আলি মোল্লা ও আসলাম হাবিব ছিল।

মঙ্গলবার তাদের বারুইপুর আদালতে তোলা হয়। তাদের হয়ে সওয়াল করতে যান আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জি। আদালত দুজনকে জামিন দেয়। আর তারপরই ঘটে আসল ঘটনা।

সায়ন বাবুর বক্তব্য অনুযায়ী, "রায় পছন্দ না হওয়ায়" আদালত চত্বরেই কালো কোর্ট পরা অবস্থায় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়, ইট ছোড়া হয়, গালিগালাজ করা হয়। প্রায় দু'ঘণ্টা তাঁকে আদালত কক্ষে আটকে থাকতে হয়। অভিযোগের তির ABVP-বিজেপি সমর্থকদের দিকে, যদিও ABVP তা অস্বীকার করেছে।

এরপর কী হলো?

এই ঘটনা হালকাভাবে নেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি গুগে ও বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করার নির্দেশ দিয়েছে। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেছেন, "আজ একজন আইনজীবী আক্রান্ত, কাল এ, বি, সি আক্রান্ত হবে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।"

বারুইপুরের জেলা জজ ও পুলিশ সুপারের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। বুধবার সকালে বারুইপুর আদালতের আইনজীবীরা প্রধান গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখান।

প্রতিবাদের ঝড়

এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ও সিপিআইএম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি লিখেছেন, "অন্যায়ভাবে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদের জামিন করিয়েছেন বলেই শুভেন্দু বাবুর চ্যালারা আক্রমণ করেছে। দাঙ্গাবাজদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।"

প্রতিবাদ জানিয়েছেন আরেক আইনজীবী ফিরদৌস শামিমও।

অন্যদিকে প্রাক্তন IPS অফিসার হুমায়ুন কবীর নিজেও কিছুদিন আগে পূর্ব যাদবপুর থানার সামনে হামলার শিকার হয়েছিলেন। তিনি লাইভে এসে বলেছিলেন, "৫০ জন পুলিশের সামনে আমাকে মারা হয়েছে।" আজ আইনজীবীদের উপর হামলা দেখে প্রশ্ন উঠছে - প্রাক্তন IPS-ই যদি নিরাপদ না থাকেন, আইনজীবীরাই যদি আদালতে নিরাপদ না থাকেন, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?

এখানেই প্রশ্ন, গণতন্ত্র কি সত্যিই বিপন্ন?

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বরাবরই বলেন আইনের শাসনের কথা। এবার দেখার, শাসক দল এই ঘটনায় কী অবস্থান নেয়। কারণ অভিযোগটা গুরুতর - আদালত চত্বরে মাস্তানি।

আপনারা কী মনে করেন? আদালত চত্বরে একজন আইনজীবীর গায়ে ডিম ছোড়া কি গণতন্ত্রের জন্য লজ্জার নয়? কমেন্টে জানান।

আজকের রাজনীতি এখানেই শেষ করছি। ভালো থাকবেন।

- Sukhen Ghosh

গুন্ডা দমন বিলে বড় ধাক্কা! রাষ্ট্রপতির অনুমোদন মিলল না, ফেরত গেল নবান্নে

গুন্ডা দমন বিলে বড় ধাক্কা! রাষ্ট্রপতির অনুমোদন মিলল না, ফেরত গেল নবান্নে

রাজ্যের বহু চর্চিত 'গুন্ডা দমন বিল' আপাতত আইন হচ্ছে না। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সই করেননি। পুনর্বিবেচনার জন্য বিলটি ফেরত পাঠানো হয়েছে রাজ্যে।
গত ২৯ জুন বিধানসভায় পাশ হয়েছিল The West Bengal Public Safety and Control of Anti-Social Activities Bill, 2026। রাজ্যপাল সই করলেও, কেন্দ্রের আপত্তিতেই আটকে গেল রাষ্ট্রপতি ভবনে।

আপত্তি কোথায়?
কেন্দ্র জানিয়েছে, এই বিলের একটি ধারা সরাসরি কেন্দ্রীয় NDPS Act, 1985-এর সঙ্গে সংঘাতে যাচ্ছে। বিলে মাদক সংক্রান্ত অপরাধে আলাদা করে প্রতিরোধমূলক আটকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা সংবিধানের ২৫৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হতে পারে না।

অথচ গত ১৩ জুলাই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, রাজ্যে এই আইন কার্যকর হয়ে গেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও প্রকাশ্যে দাবি করেছিলেন, এই আইনে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট আগেই স্পষ্ট জানিয়েছিল - রাষ্ট্রপতির অনুমোদন ছাড়া এই আইন কার্যকর নয়। আজ রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তে সেটাই প্রমাণ হলো।

মনে রাখতে হবে, এই বিলে পুলিশকে বিনা বিচারে ১ বছর পর্যন্ত আটক রাখার ক্ষমতা এবং ভাঙচুরের ক্ষতিপূরণ আদায়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো কঠোর ধারা রাখা হয়েছিল।

এবার প্রশ্ন, রাজ্য কি বিতর্কিত ধারা বাদ দিয়ে ফের বিল পাঠাবে? নাকি এই আইন নিয়েই নতুন রাজনীতি শুরু হবে বাংলায়?

আপনাদের মতামত কী? কমেন্টে জানান।

প্রতিবেদন : সুখেন ঘোষ
চ্যানেল : Ajker রাজনীতি 

৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম! জ্ঞানেশ কুমারের পর্দা ফাঁস? ইস্তফা না দিলে জেল? ২০২৯-এর আগে চাপে বিজেপি!

আজকের রাজনীতি - সুখেন ঘোষ (সোশ্যাল মিডিয়া সাংবাদিক) | 

ভারতের নির্বাচন কমিশনে ভয়ঙ্কর ফাটল! মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এবার ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম।
আজ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে বোমা ফাটালেন ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রধান **অভিজিৎ দীপকে**।

কী বললেন অভিজিৎ দীপকে?

"৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দিতে হবে। না দিলে দেশজুড়ে আন্দোলন হবে, দিল্লির যন্তর মন্তরে ফের ধর্নায় বসব। উনি নির্বাচনকে প্রভাবিত করেননি, নিশ্চিত করেছেন বিজেপি যেন ক্ষমতায় থাকে।"

CJP-র ৩টি প্রধান দাবি যা তোলপাড় ফেলেছে দেশে:

১. ইস্তফা: অবিলম্বে জ্ঞানেশ কুমারকে CEC পদ থেকে সরাতে হবে।
২. ফৌজদারি মামলা: জ্ঞানেশ কুমার ও তাঁকে যারা নির্দেশ দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা ও জেল।
৩. নির্বাচন স্থগিত ও পুরনো ভোটার তালিকা: বর্তমান SIR (Special Intensive Revision) বাতিল করে ২০২৫-এর ভোটার তালিকা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং আসন্ন নির্বাচন স্থগিত রাখতে হবে। সমস্ত নথি সুপ্রিম কোর্টের কমিটির কাছে জমা দিতে হবে।

এর পিছনে কারণ - Indian Express-এর রিপোর্টে ফাঁস, গত ১০ মাসে SIR ও Form 6 পরিবর্তন নিয়ে অন্য দুই কমিশনার ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন, যা উপেক্ষা করা হয়েছে।

কংগ্রেস ও রাহুল গান্ধী রাস্তায়

এই ইস্যুতে কংগ্রেসও মাঠে নেমেছে। রাহুল গান্ধী আজ বলেন, "ভোট চুরি থেকে আইন চুরির জন্ম।" Youth Congress ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। খবর, রাহুল গান্ধী নিজে রাস্তায় নেমে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন।

বামেরাও রাস্তায় - ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর

বামপন্থী দলগুলোও প্রেস কনফারেন্স করে জানিয়েছে, ২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতায় এবং ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন অভিযান হবে।

জ্ঞানেশ কুমার কি এবার জেলে? ২০২৯-এর আগে বিজেপি চাপে?

৬০ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, Form 6 বিতর্ক, কমিশনের অন্দরে বিদ্রোহ - সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, জ্ঞানেশ কুমারের জেল-যাত্রা কি কনফার্ম? আর এর জেরে ২০২৯ লোকসভার আগেই কি চাপে পড়ে গেল বিজেপি সরকার?

এই নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রমাণ সহ আলোচনা আজ রাত ৯ টায় আমার Youtube লাইভে।

আপনার কী মনে হয়? জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা দেওয়া উচিত? কমেন্টে জানান।

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে বড় চমক! বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একমাত্র বামেরা?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচন ২০২৬ ভোটের পর বদলে যাচ্ছে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ। কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আসার পর থেকে হকার উচ্ছেদ, ১৪ বছরের কম বয়সী গরু জবাই নিষিদ্ধ, NRC, বুলডোজার রাজনীতি, SIR এবং অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মতো জনবিরোধী ইস্যুতে রাস্তায় কারা ছিল? সাধারণ মানুষ বলছেন, এই সব আন্দোলনে মানুষের পাশে একমাত্র CPI(M) ও বামফ্রন্টকেই দেখা গেছে।
নন্দীগ্রাম: কংগ্রেসের শক্তি কতটা?নন্দীগ্রামের ইতিহাস বলছে, এখানে কংগ্রেস কখনোই শক্তিশালী ছিল না। পূর্ব মেদিনীপুর বা পশ্চিম মেদিনীপুরে গত বিধানসভা নির্বাচনেও কংগ্রেসের ভোট ছিল না । এবার উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী কার্যত নেই বললেই চলে। প্রার্থী ভয়ে প্রচার থেকে সরে গেছেন কিনা, তা নিয়ে মানুষের মধ্যেই গুঞ্জন চলছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নন্দীগ্রামে অক্সিজেন পাওয়ার চেষ্টা করছে এবং তৃণমূল  কংগ্রেসকে সাপোর্ট করবে। কিন্তু নন্দীগ্রামের মানুষ জানে, বিজেপির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক লড়াইয়ে বামেরাই ছিল।


রেজিনগর: লড়াই ত্রিমুখী 
রেজিনগরের ছবিটা আরও জটিল। সেখানে হুমায়ূনের প্রার্থী প্রচারে নেই। অভিযোগ উঠছে, হুমায়ুন কবীরের দলের কর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে। তাঁর ছেলে গোলাম নবী আজাদও প্রচারে থাকবেন না।অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী নিজেই এক সভায় বলেছেন, "আমার হয়ে কে প্রচার করবে, কে আমাকে ভোট দেবে?" এই মন্তব্যের পর তৃণমূল কর্মীরা কতটা তাঁর পাশে থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর মানুষের ভরসা কতটা, তা বিধানসভার ফলেই বোঝা যাবে। ফলে রেজিনগরের লড়াইটা এখন কংগ্রেস বনাম CPI(M) বনাম বিজেপির মধ্যে। যেকোনো দল জিততে পারে। রেজিনগরে প্রায় ৭০-৭৫% মুসলিম ভোট হলেও, হিন্দু ভোট এবার ভাগ হতে পারে। বিজেপি যদি ভাবে সব হিন্দু ভোট তাদের পকেটে, তাহলে তারা বড় ভুল করবে। বহু হিন্দু ভোটার এবার বিজেপির দিক থেকে মুখ ফেরাতে পারে।

নন্দীগ্রামে বামেরা হারানো জমি ফিরে পাওয়ার সুযোগ খুঁজছে, আর রেজিনগরে লড়াইটা প্রেস্টিজ ফাইট। দুই কেন্দ্রেই একটা বিষয় স্পষ্ট - বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে মাঠে থাকার বার্তা বামেরা দিতে পেরেছে, যা ভোটের বাক্সে চমক দিতে পারে।

আপনার কী মনে হয়? নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে এবার কে জিতবে? কমেন্টে জানান।

ISF-এ বড় ভাঙন! একসঙ্গে ইস্তফা রাজ্য সভাপতি ও সহ-সভাপতির

ভাঙড় থেকে শুরু হওয়া ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টে (ISF) বড়সড় ভাঙন। দলের দুই শীর্ষ নেতা একসঙ্গে পদত্যাগ করলেন।
আজ, ২৩শে সেপ্টেম্বর পদত্যাগের ঘোষণা করলেন দলের রাজ্য সহ-সভাপতি তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি তাপস ব্যানার্জি**। তার কয়েকদিন আগেই, ১৮ই সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেছেন দলের রাজ্য সভাপতি **সামসুর আলী মল্লিক ওরফে মনসুর।

কেন পদত্যাগ?

ভিডিও বার্তায় তাপস ব্যানার্জি জানিয়েছেন, ৫ বছর ধরে দল করেছেন। কিন্তু দলে কোনও গণতন্ত্র নেই। দুই বছর অন্তর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও তা হয় না। প্রার্থী বাছাই নিয়েও আলোচনা হয় না। ১৮ই সেপ্টেম্বর রাজ্য কমিটির বৈঠকে তাঁকে অপমান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।

অন্যদিকে, রাজ্য সভাপতি সামসুর আলী মল্লিকের অভিযোগ আরও গুরুতর। তাঁর দাবি, ফুরফুরা শরিফে কেন্দ্রীয় অফিসে শো-কজের পর বৈঠকে চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকীর সামনেই তাঁকে মারতে যাওয়া হয়, ধাক্কা দেওয়া হয়। "দলটা দলিত-আদিবাসী-মুসলিমদের স্বপ্ন নিয়ে গড়েছিলাম, কিন্তু এখন গুন্ডামির পরিবেশ" - বলেন তিনি।

রাজনৈতিক মহলের মতে, নওশাদ সিদ্দিকী বনাম আব্দুল মালেক গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বই এই ভাঙনের কারণ। ২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে এই জোড়া পদত্যাগ ISF-কে বড় ধাক্কা দিল।

নির্বাচন কমিশনে ফাটল? ১৪ বার আপত্তি, CEC জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক রিপোর্ট, তারপর মুখ খুলল কমিশন

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই কি গৃহযুদ্ধ চলছে? সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি রিপোর্টকে কেন্দ্র করে এমনই প্রশ্নে তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি।


অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন খোদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বুধবার 'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস' এর একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত ১০ মাসে কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাকি দুই কমিশনার সুখবীর সিং সাঁধু এবং বিবেক জোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন।

বিতর্কের মূল বিষয় কী?

রিপোর্ট অনুযায়ী আপত্তিগুলো মূলত তিনটি বিষয়ে -
১. স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়া
২. ফর্ম ৬-এ নতুন নিয়ম
৩. ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া ও নতুন নাম যোগ করার পদ্ধতি। অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তগুলো দুই কমিশনারকে অন্ধকারে রেখে নেওয়া হয়েছিল।

বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ

এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই একযোগে আক্রমণে নামে বিরোধী শিবির। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী একে 'গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ' বলে বর্ণনা করেন। তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় CEC-র বরখাস্ত এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি তোলেন।

অবশেষে মুখ খুলল কমিশন

চাপের মুখে পড়ে বৃহস্পতিবার যৌথ বিবৃতি জারি করে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বক্তব্য -

"ভারতের নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কাজ করে। যে কোনও স্বাধীন সংস্থায় ভিন্নমত থাকা অস্বাভাবিক নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে দীর্ঘ আলোচনা ও বিতর্ক কমিশনের কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ।"

এছাড়াও কমিশন জানিয়েছে, গত ১০ মাসে প্রায় ৪০টি নতুন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ভোটার তালিকাকে আরও স্বচ্ছ করতে। কয়েকটি বিচ্ছিন্ন অভ্যন্তরীণ নোটকে দেখিয়ে পুরো প্রক্রিয়াকে একপেশে ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে।

বিশ্লেষণ: Ajker রাজনীতি 
সুখেন ঘোষ 

সামনে একাধিক রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে কমিশনের অন্দরের এই ফাটলের খবর নিঃসন্দেহে কমিশনের ভাবমূর্তিতে আঘাত করেছে। কমিশনের এই সাফাই বিরোধীদের আক্রমণ কতটা থামাতে পারে, সেটাই এখন দেখার।

- রিপোর্ট: সুখেন ঘোষ, আজকের রাজনীতি

বারুইপুর কোর্ট চত্বরে CPIM নেতা আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জীকে লক্ষ্য করে ডিম হামলা! উত্তপ্ত আদালত

বারুইপুর কোর্ট চত্বরে আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জীর ওপর ডিম হামলা! ভাঙড় কাণ্ডে ফের উত্তেজনা

ভাঙড় কলেজের অশান্তির আঁচ এবার পৌঁছল বারুইপুর আদালত চত্বরে। আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ডিম ছোড়ার অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।

কী ঘটেছিল?
সোমবার ভাঙড় কলেজে SFI, ISF এবং ABVP ছাত্র সংগঠনের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সেই ঘটনায় পুলিশ দুই SFI কর্মী শাহরুখ আখতার আলি মোল্লা ও আসলাম হাবিবকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তাঁদের বারুইপুর আদালতে পেশ করা হয়।

ধৃতদের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন পরিচিত বামপন্থী আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালত দুজনকেই জামিন দেয়।

সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, জামিনের পর তিনি যখন কালো কোর্ট পরে আদালতের বাইরে বেরিয়ে আসেন, তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। পরে ইট ছোড়া এবং গালিগালাজও করা হয়। প্রায় দু ঘণ্টা তাঁকে আদালত চত্বরেই আটকে থাকতে হয়।

তাঁর বক্তব্য, "একজন আইনজীবীর উপরে আদালত চত্বরে ডিম ছোড়া হচ্ছে। এ কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি আমরা। নিরাপত্তা কোথায়?"

হামলার নেপথ্যে কারা?
প্রাথমিকভাবে অভিযোগের তীর ABVP সমর্থকদের দিকে। যদিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ABVP সমর্থকরা ডিম ছোড়ার কথা অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে SFI-র দাবি, পরিকল্পিতভাবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বারুইপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং আদালত চত্বর ফাঁকা করে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ডিম ছোড়ার কোনও প্রমাণ পায়নি। নির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ জমা পড়লে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি।

সরব বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য
ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, আইনের পথে দাঁড়িয়ে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদের জামিন করানোর অপরাধেই সায়নের উপর শারীরিক হামলা হয়েছে। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি এবং আইনজীবীদের ধিক্কার সমাবেশের ডাক দিয়েছেন।

আদালত চত্বরের মতো সুরক্ষিত জায়গায় একজন আইনজীবীর উপর এই ধরনের হামলা আইনের শাসন নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।