This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

রেজিনগর উপনির্বাচন ২০২৬ - RSP কেন সরে দাঁড়াল?

 রেজিনগর উপনির্বাচন ২০২৬ - RSP কেন সরে দাঁড়াল?



মুর্শিদাবাদের রেজিনগর উপনির্বাচন থেকে প্রার্থী প্রত্যাহার করল বামফ্রন্ট শরিক RSP। নির্বাচন কমিশন কোদাল-বেলচা প্রতীক না দেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত।


আজকের লাইভে আলোচনা:

✅ কেন সরে দাঁড়াল RSP? কমিশনের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ?

✅ রাজ্য সম্পাদক তপন হোড় কী বললেন? - প্রতীক নিয়ে ষড়যন্ত্র, বালতি প্রতীক চাপিয়ে দেওয়া এবং আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি।

✅ প্রার্থী বিকাশ চন্দ্র মিশ্রের দেওয়াল লিখন শুরু হয়েও কেন থেমে গেল?

✅ এবার কি CPIM-কে সমর্থন করবে RSP? এখনও পর্যন্ত দলের তরফে কোনো সমর্থনের ঘোষণা হয়নি। 

✅ রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন - ৬ অক্টোবর ভোট, ৯ অক্টোবর গণনা।


আপনাদের মতামত কমেন্টে জানান - RSP-র এই সিদ্ধান্ত কি বাম ভোটে প্রভাব ফেলবে?


#RejinagarByElection #RSP #CPIM #LeftFront #TapanHore #WestBengalNews #AjkerRajniti #Rejinagar #NandigramByElection #Murshidabad

ভোটার তালিকা থেকে ৬৩% নারীর নাম বাদ! ভোটাধিকার হরণ ও প্রশাসনিক চক্রান্তের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠল মহিলা সমিতি

 



ভোটার তালিকা থেকে ৬৩% নারীর নাম বাদ! ভোটাধিকার হরণ ও প্রশাসনিক চক্রান্তের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠল মহিলা সমিতি

​সুখেন ঘোষ | আজকের রাজনীতি

​বাংলা জুড়ে ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি (AIDWA)-এর পক্ষ থেকে একে কেবল সাধারণ প্রশাসনিক ত্রুটি মানতে নারাজ, বরং এটিকে একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ও চক্রান্তমূলক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করা হয়েছে। সম্প্রতি সংগঠনের নেত্রীদের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

​২৭ লক্ষ মানুষের নাম বাদ, যার ৬৩ শতাংশই নারী!

​তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ চলে গেছে। কিন্তু এত বড় একটা সংখ্যা বাদ যাওয়ার পরেও নির্বাচন কমিশন বা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এর কোনো সদুত্তর মিলছে না। সবচেয়ে অবাক করা এবং উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই বাদ যাওয়া ভোটারদের মধ্যে প্রায় ৬৩ শতাংশই মহিলা। মালদা, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো জেলাগুলোতে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

​কোন যুক্তিতে বাদ পড়ছে নাম?

​মহিলা সমিতির প্রশ্ন, নাম বাদ দেওয়ার পেছনে যে 'লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি' বা অসঙ্গতির কথা বলা হচ্ছে, তার ভিত্তি কী? অতীতে ২০০২ সাল কিংবা তারও আগে ১৯৭২ সাল থেকে যাদের নাম ভোটার তালিকায় ছিল, হঠাৎ করে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে তারা দেখছেন তালিকায় তাদের নাম নেই।

বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে— বিয়ের পর পদবি পরিবর্তন, সম্পত্তির দলিল কিংবা পাট্টায় স্বামীর নাম বা যৌথ নাম থাকার বিষয়টিকে সামনে রেখে তাদের নাগরিক অধিকার ও ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। অথচ বহু ক্ষেত্রে নারীদের এই নথিপত্র এবং পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও চক্রান্ত করে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

​রেশন ও সরকারি সুবিধা হারানোর আতঙ্ক

​ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার ফলে বাংলার সাধারণ মহিলারা আজ এক গভীর মানসিক আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের মনে প্রশ্ন জেগেছে— ভোটার লিস্টে নাম না থাকলে কি তাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে? ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের আত্মহত্যার ঘটনার মতো নারীদের ওপরও নানাভাবে রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার বা রেশন কার্ডের মতো জরুরি পরিষেবা থেকেও মহিলারা বঞ্চিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

​আগামী ২৫শে সেপ্টেম্বর সিইও দপ্তর অভিযান


​নির্বাচন কমিশনের নিষ্ক্রিয়তা এবং শাসকদলের এই কথিত চক্রান্তের বিরুদ্ধে আর চুপ করে থাকতে নারাজ মহিলা সমিতি। সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, আগামী ২৫শে সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী নারীদের সঙ্গে নিয়ে সিইও (CEO) দপ্তর ঘেরাও করা হবে। ভোচিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্তের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন গোটা রাজ্য জুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার হুঙ্কার দিয়েছেন নেত্রীরা।

​সংবাদ মাধ্যম ও ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেও যখন সুরাহা মিলছে না, তখন বাংলার নারীরা নিজেদের অধিকার রক্ষায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হচ্ছেন— এমনটাই স্পষ্ট বার্তা উঠে এসেছে আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে।

নন্দীগ্রামের পর এবার রেজিনগর! পুরনো মামলায় গ্রেফতার রেজিনগরের প্রার্থী সফিউল ইসলাম

 রেজিনগর প্রার্থী গ্রেফতার সফিউল ইসলাম

নন্দীগ্রামের পর এবার রেজিনগর - গ্রেফতার রেজিনগরের প্রার্থী, খেলা জমে উঠলো!


বাংলার উপনির্বাচনের আগে বড় চাঞ্চল্য!


নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের পর এবার রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে নির্দল প্রার্থী সফিউল ইসলামকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুরনো একটি মামলায় শনিবার বিকেলে ডোমকল থেকে তাঁকে নওদা থানার পুলিশ গ্রেফতার করে।  


অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, হরিহরপাড়ায় নাকা তল্লাশির সময় ধৃতের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও জাল নোট উদ্ধারের দাবিও করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর পরপর দু’দিনে দুই কেন্দ্রে প্রার্থী গ্রেফতারে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়েছে।  


এই গ্রেফতারি কি নিছকই আইনি প্রক্রিয়া, নাকি এর পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক চক্রান্ত? কী বলছে শাসক ও বিরোধী শিবির?


সব বিশ্লেষণ দেখুন আজকের রাজনীতিতে, Sukhen Ghosh এর সাথে।


আপনার মতামত কমেন্টে জানান - এই গ্রেফতারি কি ভোটের খেলাকে প্রভাবিত করবে?

নন্দীগ্রামে জোড়া ধাক্কা মমতা শিবিরে: প্রতীকের পর প্রার্থীও উধাও, মনোনয়ন প্রত্যাহার সঞ্চিতা প্রধানের


 নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের ঠিক আগেই রাজ্য রাজনীতিতে বড় ধাক্কা। ভোটের আগেই মাঠ ছাড়লেন মমতা শিবিরের প্রার্থী। যে আশঙ্কা ছিল, তাই হল। নন্দীগ্রামে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করে নিলেন সঞ্চিতা দে প্রধান।  


কি ঘটলো আজ?


আজ ১৮ সেপ্টেম্বর, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনের আগের দিন। সঞ্চিতা দে প্রধান, পেশায় শিক্ষিকা, স্বামী সত্যজিৎকে নিয়ে ময়দানের PWD টেন্টে এবং নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হলদিয়ায় গিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের চিঠি জমা দেন। সঞ্চিতার দাবি, তিনি আশীর্বাদ নিতে গিয়েছিলেন।


এই ঘটনা ফলতা উপনির্বাচনের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে, যেখানে শেষ মুহূর্তে তৃণমূল প্রার্থী সরে দাঁড়ানোয় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছিল বিজেপি।


প্রতীক জটের পর এবার প্রার্থী সংকট


এই উপনির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশন দুই তৃণমূল গোষ্ঠীকেই আসল নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নিষেধ করেছে। মমতা শিবিরকে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নাম ও ফুটবল প্লেয়ারের প্রতীক দিয়েছে নির্বাচন কমিশন, অন্যদিকে ঋতব্রত শিবিরের নাম হয়েছে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস, এদের প্রতীক খাম।


নতুন প্রতীক চেনানোর আগেই প্রার্থী হারানোয় বড় ধাক্কা খেল মমতা শিবির। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমার শেষ দিন পেরিয়ে যাওয়ায় নতুন প্রার্থী দেওয়ার আর সুযোগ নেই।


তাহলে লড়াইটা এখন কাদের মধ্যে?


ফাঁকা মাঠে গোল হচ্ছে না। ৬ অক্টোবর ভোট, ৯ অক্টোবর ফল। নন্দীগ্রাম আসনটি খালি হয়েছে শুভেন্দু অধিকারী দুটি আসন থেকে জিতে একটি ছেড়ে দেওয়ায়।


মাঠে এখন যারা আছেন:

• বিজেপি: হাসিরানী রথ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিহত আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা। • কংগ্রেস: মিলন প্রধান। • সিপিআই (বামফ্রন্ট): শান্তিগোপাল গিরি। • অন্য তৃণমূল গোষ্ঠী: মহম্মদ এহেতাশামুল হক। 

মমতা শিবিরের পরবর্তী চাল


মনোনয়ন প্রত্যাহারের পরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, INDIA জোটকে শক্তিশালী করতে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তারা কংগ্রেসকে সমর্থন করবেন। কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানানো হয়েছে।


এখন দেখার, নন্দীগ্রামে কি বিজেপি বনাম সিপিআই-এর পুরনো লড়াই ফিরবে, নাকি কংগ্রেস-মমতা শিবিরের সমর্থনে ত্রিমুখী লড়াই জমে উঠবে।


Nandigram Bypoll 2026, Sanchita Pradhan Dey, Sanchita Dey Pradhan withdraws nomination, Mamata Banerjee, Suvendu Adhikari, Nandigram By Election, West Bengal Bypoll 2026, Hasirani Rath, Milan Pradhan, Shantigopal Giri, CPI, Congress, TMC Symbol Freeze

আমরা UPI বানিয়েছি বলে ডঙ্কা পেটানো বন্ধ করুন' - ৮,০০০ কোটির ভর্তুকি নিয়ে কেন বিস্ফোরক অশনীর গ্রোভার?

 'আমরা UPI বানিয়েছি বলে ডঙ্কা পেটানো বন্ধ করুন' - ৮,০০০ কোটির ভর্তুকি নিয়ে কেন বিস্ফোরক অশনীর গ্রোভার?


সাব-হেডিং: সরকারের নতুন UPI মার্চেন্ট চার্জের সিদ্ধান্তের পরেই সরব BharatPe-র সহ-প্রতিষ্ঠাতা। প্রশ্ন তুললেন, RBI-র ২.৮৭ লক্ষ কোটি উদ্বৃত্ত থাকতে UPI-কে টিকিয়ে রাখার খরচ কেন দিতে পারবে না দেশ?


বিশ্বমঞ্চে ভারতের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল সাফল্যের গল্প হিসেবে UPI-কে তুলে ধরা হয়। কিন্তু সেই UPI-ই এবার করের বোঝায় চাপা পড়তে চলেছে কি? এমনই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ করলেন BharatPe-র সহ-প্রতিষ্ঠাতা অশনীর গ্রোভার।


আপনার দেওয়া ভাইরাল ছবিতে যে বক্তব্যটি রয়েছে - "যদি আপনারা (সরকার) এই আর্থিক সিস্টেমটি চালানোর জন্য বছরে ৮,০০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে না পারেন, তবে বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে 'আমরা ইউপিআই বানিয়েছি', 'আমরা গ্লোবাল লিডার'—এইসব বলে ডঙ্কা পেটানো বন্ধ করুন!" - সেটি আসলে গ্রোভারের সাম্প্রতিক X পোস্টের বাংলা তর্জমা।

ঠিক কী হয়েছে?

গত ১৪ সেপ্টেম্বরের গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সরকার জানিয়েছে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত UPI লেনদেন এবং RuPay ডেবিট কার্ডে কোনও চার্জ বসানো যাবে না। কিন্তু তার উপরের লেনদেন নিয়ে ধোঁয়াশা রেখে দেওয়া হয়েছে।  


পরে প্রকাশিত নতুন কাঠামো অনুযায়ী, ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন নিয়ম:

• ২,০০০ টাকার উপরে P2M (Person to Merchant) লেনদেনে ০.৪% MDR, সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত।   • রেলওয়ে, টেলিকম, বিমা, জ্বালানির মতো ক্ষেত্রে ফ্ল্যাট ৫ টাকা। • **শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ডের মতো ক্ষেত্রে ০.০২% MDR**।   

এই আইনি কাঠামো তৈরি হয়েছে Payment and Settlement Systems Act, 2007-এর Section 10A সংশোধনের পর।

অশনীর গ্রোভার কেন ক্ষুব্ধ?

গ্রোভারের যুক্তি একদম সরাসরি। তিনি X-এ লিখেছেন, “Any levy on UPI is just tax collection. UPI is the one scientific achievement of India everyone acknowledges par ab tax ki bali chadhegi.”  


তিনি আরও একটি বিস্ফোরক হিসাব দিয়েছেন, যা আপনার ছবির ৮,০০০ কোটির প্রসঙ্গকে ব্যাখ্যা করে:

“If the government had not waived Rs 22,000 crore for Chandra Sahab, UPI in India could have remained free for the next 20 years with the government’s ₹8,000 crore subsidy”  

অর্থাৎ, এক শিল্পপতির ২২ হাজার কোটি টাকা মুকুব না করলে সেই টাকাতেই আগামী ২০ বছর UPI ফ্রি রাখা যেত।


তাঁর হিসাব অনুযায়ী:

• RBI-র সরকারকে দেওয়া উদ্বৃত্ত: ₹২.৮৭ লক্ষ কোটি • তালিকাভুক্ত ব্যাঙ্কগুলির মোট লাভ: ₹৪.১১ লক্ষ কোটি • UPI চালায় যে NPCI, তার প্রি-ট্যাক্স সারপ্লাস: ₹১,৮৮৮ কোটি   • NPCI-র হাতে নগদ রয়েছে ₹৬,১১৯ কোটি এবং অপারেটিং লাভ ₹১,৯০০ কোটি, যা দিয়ে তারা নিজেরাই অনির্দিষ্টকাল UPI ফ্রি চালাতে পারে   

তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “তাহলে UPI-র জন্য কার ক্ষতি হচ্ছে, আর সরকার কোন ভর্তুকিটা দিচ্ছে?”  


এমনকি তিনি বলেছেন, ভারতে ATM এবং নগদ টাকা সামলানোর বার্ষিক খরচ প্রায় ₹৩০,৫০০ কোটি। ATM বন্ধ করে UPI-কে প্রমোট করলেই বরং খরচ কমবে।  

ফিনটেক দুনিয়ায় ভাঙন

এই ইস্যুতে ফিনটেক ইন্ডাস্ট্রি দুভাগে ভাগ হয়ে গেছে।


PhonePe-র CEO সমীর নিগম এই MDR-কে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, “Digital payment systems operate in more than 200 countries worldwide, yet India was the only country where UPI transactions carried no MDR”।  


MobiKwik-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা উপাসনা টাকু গ্রোভারদের সমালোচকদের নিশানা করে বলেছেন, তারা এখন আর ফিনটেক ফাউন্ডার নন, পার্সোনাল ব্র্যান্ডিংয়ে ব্যস্ত।  


অন্যদিকে BharatPe নিজেই গ্রোভারের মন্তব্য থেকে দূরত্ব বাড়িয়েছে এবং জানিয়েছে ২০২৪ সাল থেকেই গ্রোভারের সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই, তাঁর মন্তব্য একান্ত ব্যক্তিগত।

সাধারণ দোকানদারের কী হবে?

সরকার বলছে, গ্রাহকের উপর কোনও চাপ পড়বে না। কিন্তু গ্রোভারের প্রশ্ন, “Why are you calling it a ‘charge’, ‘MDR’, or claiming that it won't affect the customer?”। শেষ পর্যন্ত এই খরচ ঘুরিয়ে গ্রাহকের ঘাড়েই পড়বে।  


বিরোধীরা একে 'মোদী ট্যাক্স' বলে কটাক্ষ করেছে। কংগ্রেসের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ সালে মোট UPI লেনদেন ₹৩১৪ লক্ষ কোটির মধ্যে ৬৬% অর্থাৎ ₹২০৭ লক্ষ কোটিই ছিল ২,০০০ টাকার উপরের লেনদেন।


উপসংহার:

UPI আজ ভারতের ডিজিটাল পরিচয়। ২০১৬ সালে ₹০.০৭ লক্ষ কোটি থেকে শুরু করে আজ ₹৩১৪ লক্ষ কোটির লেনদেন, ১১টি দেশে গ্রহণযোগ্যতা - গল্পটা গ্লোবাল লিডারেরই। কিন্তু প্রশ্নটা রয়ে যায়, যে দেশ নিজের সবচেয়ে সফল প্রযুক্তিকে টিকিয়ে রাখতে বছরে ৮,০০০ কোটি টাকা খরচ করতে দ্বিধা করে, সে কি সত্যিই গ্লোবাল লিডার?

পর্দায় ২০০ ছবির নায়ক, বাস্তবে এক চিলতে ঘরে লড়াই - বিস্মৃতির আড়ালে 'জন্মভূমি' খ্যাত নিমাই ঘোষ

 পর্দায় ২০০ ছবির নায়ক, বাস্তবে এক চিলতে ঘরে লড়াই - বিস্মৃতির আড়ালে 'জন্মভূমি' খ্যাত নিমাই ঘোষ



ডিডি বাংলার 'জন্মভূমি' ধারাবাহিকের সেই পরিচিত মুখ মনে আছে?

পাঁচ দশকের বেশি অভিনয় জীবন, ২০০-র বেশি বাংলা ছবি। উত্তম-সুচিত্রা যুগ থেকে এই প্রজন্ম - সব সময়েই ছিলেন তিনি।

কিন্তু আজ?

অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি একজন কবি। কবিতার বইও বেরিয়েছে। অথচ অভিনয়ের পারিশ্রমিক থেকে বইয়ের রয়্যালটি - কিছুই ঠিকমতো পাননি বলে অভিযোগ বর্ষীয়ান এই শিল্পীর।এখন সরকারি আবাসনের ছোট্ট একটি ঘরে দিন কাটছে তাঁর। নতুন কাজ নেই, রোজের খরচ চালানোই দায় হয়ে উঠেছে।তাঁর একটা কথাই আজ টলিউডকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায় - "যারা ছবিকে শুধু ব্যবসা ভাবে, তারা আমাদের খোঁজ রাখবে কেন?"আমরা কি শুধু চরিত্রকেই মনে রাখবো, শিল্পীকে নয়?


ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবেদন: আজকের রাজনীতি


#NimaiGhosh #Janmabhumi #BengaliCinema #Tollywood #DDbangla #AjkerRajniti

বাম-কংগ্রেস-ISF জোট দরকার, তৃণমূলকে বাইরে রেখেই! নওশাদের এই ফর্মুলায় কি আটকাবে বিজেপি?

 

তৃণমূলের বিদায়, বিজেপি ক্ষমতায় - এবার বিজেপিকে রুখতে বাম-কংগ্রেস-ISF জোটের ডাক নওশাদের!


রাজনীতির পট পরিবর্তন। নওশাদ সিদ্দিকী এতদিন বলতেন তৃণমূল-বিজেপির বাইনারি ভাঙতে হবে। এবার প্রেক্ষাপটটাই বদলে গেছে।তৃণমূল সরকার থেকে চলে গেছে, ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আর ঠিক এই মুহূর্তেই ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর সেই পুরনো দাবি আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠলো - বিজেপিকে রুখতে বাম-কংগ্রেস-ISF-কে এক হতেই হবে।

কেন এই জোটের কথা এখন আরও জোরালো?

নওশাদের যুক্তি ছিল, বিজেপির মূল প্ল্যান হল সংখ্যালঘু ভোট ভাগ করে দাও। তৃণমূল থাকাকালীন এই ভোট তৃণমূল, কংগ্রেস, ISF, বামেদের মধ্যে ভাগ হতো। 


এখন তৃণমূল সরকারে নেই। ফলে সেই সংখ্যালঘু ভোট পুরোপুরি অভিভাবকহীন। বিজেপি সরকারে এসে যদি সেই ভোট আরও ছিন্নভিন্ন থাকে, তাহলে বিজেপিকে হারানো অসম্ভব। তাই তিনি বলছেন, তৃণমূল পরবর্তী সময়ে বিজেপির বিরুদ্ধে একমাত্র ধর্মনিরপেক্ষ বিকল্প হতে পারে বাম-কংগ্রেস-ISF জোট।

এই নতুন সমীকরণে জোটের অঙ্ক কী?

১. বিরোধী পরিসরে শূন্যতা পূরণ: তৃণমূল হেরে যাওয়ায় প্রধান বিরোধী হওয়ার লড়াই এখন খোলা। বাম-কংগ্রেসের ক্যাডার, সংগঠন আর ISF-এর সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনভিত্তি মিলে গেলে বিজেপির বিরুদ্ধে একটা বিশ্বাসযোগ্য মুখ তৈরি হতে পারে।


২. ধর্মনিরপেক্ষ ভোটের একত্রীকরণ: ২০২১ সালে সংযুক্ত মোর্চা একসঙ্গে লড়ে ভাঙড়ে জিতেছিল। ২০২৪-এ জোট ভাঙায় ফায়দা পেয়েছিল তৃণমূল ও বিজেপি। এখন বিজেপি ক্ষমতায় থাকায় সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি হলে ধর্মনিরপেক্ষ ভোট চিরতরে ভাগ হয়ে যাবে - এটাই নওশাদের আশঙ্কা।


৩. বিজেপির বিরুদ্ধে আদর্শগত লড়াই: এতদিন লড়াই ছিল দুর্নীতি বনাম সাম্প্রদায়িকতা। এখন লড়াই সরাসরি ক্ষমতাসীন বিজেপির নীতির বিরুদ্ধে। সেখানে তৃণমূলের সঙ্গে জোট না করে বাম-কংগ্রেস-ISF যদি পরিচ্ছন্ন ধর্মনিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে, মানুষ বিকল্প হিসেবে দেখতে পারে।

সত্যিই কি পারবে?

এখানেই বড় প্রশ্ন।


ক্ষমতায় থাকা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে গেলে শুধু জোট করলেই হবে না, দরকার রাস্তার আন্দোলন। বামেদের সংগঠন আছে , কংগ্রেসের নেতৃত্বে দ্বিধা, আর ISF মাত্র কয়েকটি বিধানসভায় শক্তিশালী ভোট আছে । এই তিন শক্তি এক হলেও রাজ্যজুড়ে বিজেপির মতো সাংগঠনিক মেশিনের বিরুদ্ধে লড়তে হলে আসন সমঝোতা, অভিন্ন কর্মসূচি এবং নেতৃত্বের ইগো ছাড়তে হবে - যা নিয়ে নওশাদ নিজেও বারবার সরব হয়েছেন।


তবে একটা কথা পরিষ্কার - তৃণমূলের পতনের পর বাংলায় যদি বিজেপি-বিরোধী ভোট এক জায়গায় না আসে, তাহলে বিজেপিকে রোখা আরও কঠিন হবে। সেই জায়গা থেকেই নওশাদ সিদ্দিকীর এই ডাক - তৃণমূল নেই, এবার বিজেপির বিরুদ্ধে সব ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি এক হও।


জোট কি সত্যিই সম্ভব? নাকি আবারও ভোট ভাগের খেলায় বিজেপির সুবিধা হবে? 


আপনার মতামত কী?

আজকের রাজনীতি | সুখেন ঘোষ


#NausadSiddiqui #BamCongressISF #BJP #BengalPolitics #TMC #AjkerRajniti #SukhenGhosh #WestBengal