This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

South Calcutta Law কলেজে ফের উত্তেজনা: পতাকা বিতর্কে SFI- ABVP সংঘর্ষ, হস্তক্ষেপ পুলিশের

রিপোর্টার: সুখেন ঘোষ, কলকাতা
কলকাতা, ২৬ সেপ্টেম্বর: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে কসবার সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজ। শুক্রবার দুপুরে সাংগঠনিক পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বাম ছাত্র সংগঠন SFI এবং ABVP-র মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ বাধে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি থাম্বনেইল ভাইরাল হয়েছে যেখানে দাবি করা হচ্ছে, "জাতীয় পতাকা খুলে নিজেদের পতাকা লাগালো ABVP"। কিন্তু আমাদের অনুসন্ধানে এবং পুলিশ সূত্রে এই দাবির কোনও সরকারি সত্যতা মেলেনি।

ঠিক কী ঘটেছিল?
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে ক্যাম্পাসে ABVP-র গেরুয়া পতাকা লাগানো হয়। বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানায় SFI। এরপর SFI-ও নিজেদের পতাকা লাগায়। অভিযোগ, ABVP সেই পতাকা খুলে দেয়। তা থেকেই প্রথমে স্লোগান, পরে হাতাহাতি।

SFI মুখপাত্র সত্যজিৎ ভান্ডারীর বক্তব্য, "আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েই পতাকা লাগিয়েছিলাম। ABVP আমাদের পতাকা খুলে দেয় এবং মহিলা কর্মীদের ওপর হামলা করে।"

পাল্টা ABVP নেতা অনন্ত বারুইয়ের অভিযোগ, "SFI বহিরাগতদের নিয়ে এসে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। SFI ক্যাম্পাসে একচেটিয়া দখলদারি চালাতে চায়।"

কলেজ কর্তৃপক্ষ কী বলছে?
ভাইস প্রিন্সিপাল ড. নয়না চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, "কলেজ চত্বরে কোনও রাজনৈতিক সংগঠনের পতাকা লাগানো যাবে না। আমরা উভয় পক্ষকেই সতর্ক করেছি।"

পুরনো বিতর্কের ছায়া:
এই কলেজটি ২০২৫ সালের ২৫ জুন এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দেশজুড়ে আলোচনায় এসেছিল। সেই মামলায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক নেতা-সহ তিনজন গ্রেফতার হয়েছিল। তারপর থেকেই কলেজে রাজনৈতিক উত্তেজনা লেগেই আছে।
আজকের রাজনীতির Fact Check: ভাইরাল ভিডিওতে জাতীয় পতাকা অবমাননার যে দাবি করা হচ্ছে, তার সমর্থনে এখনও পর্যন্ত কোনও FIR বা কলেজের লিখিত অভিযোগ নেই। বিষয়টি সাংগঠনিক পতাকা বিতর্ক বলেই পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে।

সামনে এলো পুরো ফাইল! বিজেপি ২৮৭ কোটি, কংগ্রেস ৪২ কোটি, বামেদের...? তৃণমূল লুকাচ্ছে কেন?

সামনে এলো নির্বাচন কমিশনের গোপন ফাইল! বাংলায় টাকার খেলায় কে এগিয়ে?
কলকাতা, আজকের রাজনীতি ডেস্ক: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট মিটে গেলেও, ভোটের খরচ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে বাংলায়। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া রাজনৈতিক দলগুলির খরচের হিসাবেই সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আর সেই তথ্যেই রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

আজকের রাজনীতির হাতে আসা সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলার মাটিতে প্রচারে সবচেয়ে বেশি টাকা খরচ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

এক নজরে কে কত খরচ করলো?

নির্বাচন কমিশনের নথি বলছে -

> বিজেপি: ২৮৭ কোটি টাকা
শুধু পশ্চিমবঙ্গেই বিজেপি খরচ করেছে ২৮৭ কোটি টাকা। যা পাঁচ রাজ্যের মোট খরচের ৫৪ শতাংশেরও বেশি।

> তৃণমূল কংগ্রেস: হিসাব গায়েব!
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এখনও পর্যন্ত তাদের খরচের চূড়ান্ত হিসাব কমিশনে জমা দেয়নি। কেন এই লুকোচুরি? প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা।

> কংগ্রেস: ৪২ কোটি ৮ লক্ষ টাকা
জাতীয় কংগ্রেস বাংলার জন্য বরাদ্দ করেছিল ৪২ কোটি ৮ লক্ষ টাকা।

> বামেরা...? সিপিআইএম: প্রায় ৮ কোটি টাকা
সবচেয়ে কম খরচে লড়াই করেছে সিপিআইএম। বামেদের খরচ মাত্র ৮ কোটি টাকার কাছাকাছি। অল্প টাকায় লড়াই করেও বামেদের এই লড়াকু মানসিকতা নিয়ে চর্চা চলছে।

ইনফ্লুয়েন্সারদের পকেটে লাখ লাখ টাকা! সামনে এলো সায়ক-শমীকের নাম

এই রিপোর্টের সবচেয়ে বিস্ফোরক অংশ হলো সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের পেমেন্ট। কমিশনে বিজেপির জমা দেওয়া নথিতে দেখা যাচ্ছে, প্রচারের জন্য পরিচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মোটা টাকা দেওয়া হয়েছে।
• সায়ক চক্রবর্তী: ২.৫ লক্ষ টাকা • শমীক অধিকারী: প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা 
এই তথ্য সামনে আসতেই বিতর্ক তুঙ্গে। যদিও সায়ক চক্রবর্তী জানিয়েছেন, "SIR নিয়ে টেকনিক্যাল ভিডিও এবং প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে কন্টেন্ট বানানোর জন্য এই টাকা নেওয়া, অলি পাব কাণ্ডের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।"

ISF এবং হুমায়ুন কবিরের দলের কী খবর?

অনেকেই জানতে চাইছেন ISF এবং হুমায়ুন কবিরের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি কত খরচ করেছে। যেহেতু এই দুটি দল এখনও কমিশনের কাছে অ-স্বীকৃত ছোট দল, তাই তাদের খরচের সরকারি হিসাব এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাদের খরচ কয়েক লক্ষ টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ বলে মনে করা হচ্ছে।

শেষ কথা: টাকা দিয়ে কি বাংলার মাটিতে ভোট কেনা যায়? ৮ কোটি বনাম ২৮৭ কোটির এই লড়াইয়ে শেষ হাসি কে হাসবে, সেটাই এখন দেখার।

রিপোর্ট: সুখেন ঘোষ, আজকের রাজনীতি

Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ্য তথ্য ও নিজস্ব অনুসন্ধানের ভিত্তিতে লেখা।

গণতন্ত্র কি বিপন্ন? আদালত চত্বরে আইনজীবীকে ডিম, প্রাক্তন IPS-ও রেহাই পেলেন না!

বারুইপুর আদালতে যা ঘটল, তা শুধু একজন আইনজীবীর উপর হামলা নয়, গোটা বিচার ব্যবস্থার উপর হামলা।
আমি সকাল থেকেই খবরটা ফলো করছি। ভাঙড় কলেজের অশান্তির জের গিয়ে পড়ল বারুইপুর কোর্টে। আর সেখানেই হেনস্থার শিকার হলেন বাম নেতা ও আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জি।

ঘটনাটা ঠিক কী ঘটেছিল?

গত সোমবার ভাঙড় কলেজে নতুন পরিচালন সমিতির সভাপতি সায়ন্তন বসুকে ঢুকতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে SFI ও ISF সমর্থিত ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে ABVP-র তুমুল সংঘর্ষ হয়। পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে, যার মধ্যে SFI কনভেনর শাহরুখ আখতার আলি মোল্লা ও আসলাম হাবিব ছিল।

মঙ্গলবার তাদের বারুইপুর আদালতে তোলা হয়। তাদের হয়ে সওয়াল করতে যান আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জি। আদালত দুজনকে জামিন দেয়। আর তারপরই ঘটে আসল ঘটনা।

সায়ন বাবুর বক্তব্য অনুযায়ী, "রায় পছন্দ না হওয়ায়" আদালত চত্বরেই কালো কোর্ট পরা অবস্থায় তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়, ইট ছোড়া হয়, গালিগালাজ করা হয়। প্রায় দু'ঘণ্টা তাঁকে আদালত কক্ষে আটকে থাকতে হয়। অভিযোগের তির ABVP-বিজেপি সমর্থকদের দিকে, যদিও ABVP তা অস্বীকার করেছে।

এরপর কী হলো?

এই ঘটনা হালকাভাবে নেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি গুগে ও বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করার নির্দেশ দিয়েছে। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেছেন, "আজ একজন আইনজীবী আক্রান্ত, কাল এ, বি, সি আক্রান্ত হবে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।"

বারুইপুরের জেলা জজ ও পুলিশ সুপারের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। বুধবার সকালে বারুইপুর আদালতের আইনজীবীরা প্রধান গেট বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখান।

প্রতিবাদের ঝড়

এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ও সিপিআইএম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি লিখেছেন, "অন্যায়ভাবে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদের জামিন করিয়েছেন বলেই শুভেন্দু বাবুর চ্যালারা আক্রমণ করেছে। দাঙ্গাবাজদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।"

প্রতিবাদ জানিয়েছেন আরেক আইনজীবী ফিরদৌস শামিমও।

অন্যদিকে প্রাক্তন IPS অফিসার হুমায়ুন কবীর নিজেও কিছুদিন আগে পূর্ব যাদবপুর থানার সামনে হামলার শিকার হয়েছিলেন। তিনি লাইভে এসে বলেছিলেন, "৫০ জন পুলিশের সামনে আমাকে মারা হয়েছে।" আজ আইনজীবীদের উপর হামলা দেখে প্রশ্ন উঠছে - প্রাক্তন IPS-ই যদি নিরাপদ না থাকেন, আইনজীবীরাই যদি আদালতে নিরাপদ না থাকেন, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?

এখানেই প্রশ্ন, গণতন্ত্র কি সত্যিই বিপন্ন?

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বরাবরই বলেন আইনের শাসনের কথা। এবার দেখার, শাসক দল এই ঘটনায় কী অবস্থান নেয়। কারণ অভিযোগটা গুরুতর - আদালত চত্বরে মাস্তানি।

আপনারা কী মনে করেন? আদালত চত্বরে একজন আইনজীবীর গায়ে ডিম ছোড়া কি গণতন্ত্রের জন্য লজ্জার নয়? কমেন্টে জানান।

আজকের রাজনীতি এখানেই শেষ করছি। ভালো থাকবেন।

- Sukhen Ghosh

ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন 'ওয়েলকাম'-খ্যাত বল্লু, প্রয়াত প্রবীণ অভিনেতা মুশতাক খান

বলিউডে ফের নক্ষত্রপতন। ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা মুশতাক খান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর।
জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা প্রায় ৭টা নাগাদ মুম্বইয়ের নানাবতী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর বিজনেস পার্টনার শিবম যাদব সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, "আগেও একবার তাঁর ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়েছিল এবং তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু ৮ দিন আগে ফের ক্যান্সার রিল্যাপস করে। এটি ছিল লাস্ট স্টেজ ক্যান্সার।"  

ফেডারেশন অফ ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজ (FWICE)-এর প্রেসিডেন্ট বি এন তিওয়ারিও তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

স্মরণীয় পার্শ্বচরিত্র এবং নিখুঁত কমেডি টাইমিংয়ের জন্য পরিচিত এই অভিনেতা হিন্দি চলচ্চিত্রে এক দীর্ঘস্থায়ী ছাপ রেখে গেছেন। চার দশকের কেরিয়ারে তিনি ৩০০-রও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

দর্শকদের কাছে তিনি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় 'ওয়েলকাম' (Welcome) সিনেমায় 'বল্লু' চরিত্রে। বিশেষ করে হকি-স্টিক ব্যবহারের সেই জনপ্রিয় দৃশ্য এবং "মেরি এক টাং নকলি হ্যায়, ম্যায় হকি কা বহুত বড়া খিলাড়ি থা..." সংলাপটি আজও দর্শকদের মনে গেঁথে আছে।  

এছাড়াও তাঁকে 'হেরা ফেরি', 'গদর: এক প্রেম কথা', 'জোড়ি নম্বর ১', 'মুঝসে শাদি করোগি', 'ওয়ান্টেড', 'ওয়েলকাম ব্যাক', 'গদর ২' এবং 'স্ত্রী ২'-এর মতো সিনেমায় দেখা গেছে। টেলিভিশনেও তিনি 'কুছ রং পেয়ার কে অ্যায়সে ভি' সহ বহু শোতে কাজ করেছেন।

তাঁর সহ-অভিনেতা সঞ্জয় মিশ্র তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তাঁর অভিনয় দর্শকদের উপহার দিয়েছে হাসি ও অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত। শান্তিতে বিশ্রাম নিন, মুশতাক খান।

রিপোর্ট: সুখেন ঘোষ - জার্নালিস্ট
আজকের রাজনীতি ডেলি নিউজ

#MushtaqKhan #Bollywood #WelcomeMovie #RIP #AjkerRajniti #SukhenGhosh #Filmfare

গুন্ডা দমন বিলে বড় ধাক্কা! রাষ্ট্রপতির অনুমোদন মিলল না, ফেরত গেল নবান্নে

গুন্ডা দমন বিলে বড় ধাক্কা! রাষ্ট্রপতির অনুমোদন মিলল না, ফেরত গেল নবান্নে

রাজ্যের বহু চর্চিত 'গুন্ডা দমন বিল' আপাতত আইন হচ্ছে না। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সই করেননি। পুনর্বিবেচনার জন্য বিলটি ফেরত পাঠানো হয়েছে রাজ্যে।
গত ২৯ জুন বিধানসভায় পাশ হয়েছিল The West Bengal Public Safety and Control of Anti-Social Activities Bill, 2026। রাজ্যপাল সই করলেও, কেন্দ্রের আপত্তিতেই আটকে গেল রাষ্ট্রপতি ভবনে।

আপত্তি কোথায়?
কেন্দ্র জানিয়েছে, এই বিলের একটি ধারা সরাসরি কেন্দ্রীয় NDPS Act, 1985-এর সঙ্গে সংঘাতে যাচ্ছে। বিলে মাদক সংক্রান্ত অপরাধে আলাদা করে প্রতিরোধমূলক আটকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা সংবিধানের ২৫৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হতে পারে না।

অথচ গত ১৩ জুলাই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, রাজ্যে এই আইন কার্যকর হয়ে গেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও প্রকাশ্যে দাবি করেছিলেন, এই আইনে মামলা দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট আগেই স্পষ্ট জানিয়েছিল - রাষ্ট্রপতির অনুমোদন ছাড়া এই আইন কার্যকর নয়। আজ রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তে সেটাই প্রমাণ হলো।

মনে রাখতে হবে, এই বিলে পুলিশকে বিনা বিচারে ১ বছর পর্যন্ত আটক রাখার ক্ষমতা এবং ভাঙচুরের ক্ষতিপূরণ আদায়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো কঠোর ধারা রাখা হয়েছিল।

এবার প্রশ্ন, রাজ্য কি বিতর্কিত ধারা বাদ দিয়ে ফের বিল পাঠাবে? নাকি এই আইন নিয়েই নতুন রাজনীতি শুরু হবে বাংলায়?

আপনাদের মতামত কী? কমেন্টে জানান।

প্রতিবেদন : সুখেন ঘোষ
চ্যানেল : Ajker রাজনীতি 

৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম! জ্ঞানেশ কুমারের পর্দা ফাঁস? ইস্তফা না দিলে জেল? ২০২৯-এর আগে চাপে বিজেপি!

আজকের রাজনীতি - সুখেন ঘোষ (সোশ্যাল মিডিয়া সাংবাদিক) | 

ভারতের নির্বাচন কমিশনে ভয়ঙ্কর ফাটল! মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এবার ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম।
আজ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে বোমা ফাটালেন ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রধান **অভিজিৎ দীপকে**।

কী বললেন অভিজিৎ দীপকে?

"৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দিতে হবে। না দিলে দেশজুড়ে আন্দোলন হবে, দিল্লির যন্তর মন্তরে ফের ধর্নায় বসব। উনি নির্বাচনকে প্রভাবিত করেননি, নিশ্চিত করেছেন বিজেপি যেন ক্ষমতায় থাকে।"

CJP-র ৩টি প্রধান দাবি যা তোলপাড় ফেলেছে দেশে:

১. ইস্তফা: অবিলম্বে জ্ঞানেশ কুমারকে CEC পদ থেকে সরাতে হবে।
২. ফৌজদারি মামলা: জ্ঞানেশ কুমার ও তাঁকে যারা নির্দেশ দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা ও জেল।
৩. নির্বাচন স্থগিত ও পুরনো ভোটার তালিকা: বর্তমান SIR (Special Intensive Revision) বাতিল করে ২০২৫-এর ভোটার তালিকা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং আসন্ন নির্বাচন স্থগিত রাখতে হবে। সমস্ত নথি সুপ্রিম কোর্টের কমিটির কাছে জমা দিতে হবে।

এর পিছনে কারণ - Indian Express-এর রিপোর্টে ফাঁস, গত ১০ মাসে SIR ও Form 6 পরিবর্তন নিয়ে অন্য দুই কমিশনার ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন, যা উপেক্ষা করা হয়েছে।

কংগ্রেস ও রাহুল গান্ধী রাস্তায়

এই ইস্যুতে কংগ্রেসও মাঠে নেমেছে। রাহুল গান্ধী আজ বলেন, "ভোট চুরি থেকে আইন চুরির জন্ম।" Youth Congress ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। খবর, রাহুল গান্ধী নিজে রাস্তায় নেমে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন।

বামেরাও রাস্তায় - ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর

বামপন্থী দলগুলোও প্রেস কনফারেন্স করে জানিয়েছে, ২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতায় এবং ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন অভিযান হবে।

জ্ঞানেশ কুমার কি এবার জেলে? ২০২৯-এর আগে বিজেপি চাপে?

৬০ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, Form 6 বিতর্ক, কমিশনের অন্দরে বিদ্রোহ - সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, জ্ঞানেশ কুমারের জেল-যাত্রা কি কনফার্ম? আর এর জেরে ২০২৯ লোকসভার আগেই কি চাপে পড়ে গেল বিজেপি সরকার?

এই নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রমাণ সহ আলোচনা আজ রাত ৯ টায় আমার Youtube লাইভে।

আপনার কী মনে হয়? জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা দেওয়া উচিত? কমেন্টে জানান।

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে বড় চমক! বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একমাত্র বামেরা?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচন ২০২৬ ভোটের পর বদলে যাচ্ছে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ। কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আসার পর থেকে হকার উচ্ছেদ, ১৪ বছরের কম বয়সী গরু জবাই নিষিদ্ধ, NRC, বুলডোজার রাজনীতি, SIR এবং অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মতো জনবিরোধী ইস্যুতে রাস্তায় কারা ছিল? সাধারণ মানুষ বলছেন, এই সব আন্দোলনে মানুষের পাশে একমাত্র CPI(M) ও বামফ্রন্টকেই দেখা গেছে।
নন্দীগ্রাম: কংগ্রেসের শক্তি কতটা?নন্দীগ্রামের ইতিহাস বলছে, এখানে কংগ্রেস কখনোই শক্তিশালী ছিল না। পূর্ব মেদিনীপুর বা পশ্চিম মেদিনীপুরে গত বিধানসভা নির্বাচনেও কংগ্রেসের ভোট ছিল না । এবার উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী কার্যত নেই বললেই চলে। প্রার্থী ভয়ে প্রচার থেকে সরে গেছেন কিনা, তা নিয়ে মানুষের মধ্যেই গুঞ্জন চলছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নন্দীগ্রামে অক্সিজেন পাওয়ার চেষ্টা করছে এবং তৃণমূল  কংগ্রেসকে সাপোর্ট করবে। কিন্তু নন্দীগ্রামের মানুষ জানে, বিজেপির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক লড়াইয়ে বামেরাই ছিল।


রেজিনগর: লড়াই ত্রিমুখী 
রেজিনগরের ছবিটা আরও জটিল। সেখানে হুমায়ূনের প্রার্থী প্রচারে নেই। অভিযোগ উঠছে, হুমায়ুন কবীরের দলের কর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে। তাঁর ছেলে গোলাম নবী আজাদও প্রচারে থাকবেন না।অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী নিজেই এক সভায় বলেছেন, "আমার হয়ে কে প্রচার করবে, কে আমাকে ভোট দেবে?" এই মন্তব্যের পর তৃণমূল কর্মীরা কতটা তাঁর পাশে থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর মানুষের ভরসা কতটা, তা বিধানসভার ফলেই বোঝা যাবে। ফলে রেজিনগরের লড়াইটা এখন কংগ্রেস বনাম CPI(M) বনাম বিজেপির মধ্যে। যেকোনো দল জিততে পারে। রেজিনগরে প্রায় ৭০-৭৫% মুসলিম ভোট হলেও, হিন্দু ভোট এবার ভাগ হতে পারে। বিজেপি যদি ভাবে সব হিন্দু ভোট তাদের পকেটে, তাহলে তারা বড় ভুল করবে। বহু হিন্দু ভোটার এবার বিজেপির দিক থেকে মুখ ফেরাতে পারে।

নন্দীগ্রামে বামেরা হারানো জমি ফিরে পাওয়ার সুযোগ খুঁজছে, আর রেজিনগরে লড়াইটা প্রেস্টিজ ফাইট। দুই কেন্দ্রেই একটা বিষয় স্পষ্ট - বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে মাঠে থাকার বার্তা বামেরা দিতে পেরেছে, যা ভোটের বাক্সে চমক দিতে পারে।

আপনার কী মনে হয়? নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে এবার কে জিতবে? কমেন্টে জানান।

ISF-এ বড় ভাঙন! একসঙ্গে ইস্তফা রাজ্য সভাপতি ও সহ-সভাপতির

ভাঙড় থেকে শুরু হওয়া ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টে (ISF) বড়সড় ভাঙন। দলের দুই শীর্ষ নেতা একসঙ্গে পদত্যাগ করলেন।
আজ, ২৩শে সেপ্টেম্বর পদত্যাগের ঘোষণা করলেন দলের রাজ্য সহ-সভাপতি তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি তাপস ব্যানার্জি**। তার কয়েকদিন আগেই, ১৮ই সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেছেন দলের রাজ্য সভাপতি **সামসুর আলী মল্লিক ওরফে মনসুর।

কেন পদত্যাগ?

ভিডিও বার্তায় তাপস ব্যানার্জি জানিয়েছেন, ৫ বছর ধরে দল করেছেন। কিন্তু দলে কোনও গণতন্ত্র নেই। দুই বছর অন্তর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও তা হয় না। প্রার্থী বাছাই নিয়েও আলোচনা হয় না। ১৮ই সেপ্টেম্বর রাজ্য কমিটির বৈঠকে তাঁকে অপমান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।

অন্যদিকে, রাজ্য সভাপতি সামসুর আলী মল্লিকের অভিযোগ আরও গুরুতর। তাঁর দাবি, ফুরফুরা শরিফে কেন্দ্রীয় অফিসে শো-কজের পর বৈঠকে চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকীর সামনেই তাঁকে মারতে যাওয়া হয়, ধাক্কা দেওয়া হয়। "দলটা দলিত-আদিবাসী-মুসলিমদের স্বপ্ন নিয়ে গড়েছিলাম, কিন্তু এখন গুন্ডামির পরিবেশ" - বলেন তিনি।

রাজনৈতিক মহলের মতে, নওশাদ সিদ্দিকী বনাম আব্দুল মালেক গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বই এই ভাঙনের কারণ। ২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে এই জোড়া পদত্যাগ ISF-কে বড় ধাক্কা দিল।

কেরালায় ABVP-র লজ্জা! 400 কলেজে মাত্র 5 টা জয়, SFI একাই 355 - ত্রিপুনিথুরায় বিনা লড়াইয়ে জয়?

কেরালার ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে SFI-র বিপুল জয়। SFI 355+, KSU 73, ABVP 5। Tripunithura Sanskrit College-এ ABVP-র বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের আসল সত্য জানুন।
 Kerala Election 2026: SFI 355 | ABVP 5 | KSU 73
কেরালা ছাত্র সংসদ নির্বাচন 2026: SFI 350 পার, ABVP আটকে 5-এ! আসল হিসাব কী বলছে?
কেরালা ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই রকম প্রচার চলছে। একদিকে বলা হচ্ছে SFI সব উড়িয়ে দিয়েছে, অন্যদিকে ABVP ৪০ বছরের দুর্গ ভেঙেছে। আসল সত্যটা কী? ৪টি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করলাম আমরা।
৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত ফলাফল (2026)
এবার কেরালা, কান্নুর, কালিকট এবং মহাত্মা গান্ধী - এই ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কলেজগুলোতে ভোট হয়েছে।
এই ফল থেকে ৩টি বিষয় পরিষ্কার:

১. SFI-র দাপট এখনও অটুট: রাজ্যে শাসক দল বাম হলেও ছাত্রদের মধ্যে SFI-র সংগঠন সবচেয়ে শক্তিশালী। তারা একাই ৩৫৫টির বেশি কলেজ ইউনিয়ন দখল করেছে।

২. ABVP শূন্য নয়, কিন্তু ৫-এ আটকে: ABVP মোট ৫টি কলেজে জিতেছে। কেরালায় BJP বাড়লেও ছাত্র রাজনীতিতে তারা এখনও দাগ কাটতে পারেনি।

৩. কংগ্রেস ছাত্র সংগঠন KSU-র ভরাডুবি: আলাপ্পুঝা, যা এ কে অ্যান্টনি, কে সি বেণুগোপালদের জেলা, সেখানে KSU একটি কলেজেও জিততে পারেনি। এটা কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা।
Tripunithura Government Sanskrit College - ৪০ বছরের দুর্গ ভাঙার আসল গল্প কী?
এটাই এখন সবচেয়ে ভাইরাল খবর। ABVP দাবি করছে তারা ৪০ বছরের SFI দুর্গ ভেঙে ১২টি পদেই জিতেছে।
কেরালা ইউনিভার্সিটি: SFI ৬৫ টি কলেজে জয়ী (তার মধ্যে ৪৫ টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), KSU ৯ টি, ABVP ২ টি • কান্নুর ইউনিভার্সিটি: SFI ৬০ টি (৩৯ টি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), KSU ১২ টি, ABVP ২ টি • কালিকট ইউনিভার্সিটি: SFI ১২৭ টি, MSF ৪৭ টি, KSU ২১ টি, ABVP ১ টি • মহাত্মা গান্ধী ইউনিভার্সিটি (MGU): SFI ১০৩ টি, KSU ৩১ টি 
মানে ABVP মোট ৫ টা কলেজ ইউনিয়ন জিতেছে, ১ টা নয়। আর SFI একাই ৩৫০+ কলেজে জিতেছে। তাই SFI-র দাপট আছে, এটা সত্যি।  

আসল ঘটনা হলো: এই কলেজটি MGU-র অধীনে। গত বছর ২০২৫ সালে এখানে ABVP ভোটে লড়ে SFI-কে হারিয়ে ১০টি পদে জিতেছিল। এটা সত্যি।

কিন্তু এবার ২০২৬ সালে SFI এবং KSU কোনো প্রার্থীই দেয়নি। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর দেখা যায় শুধু ABVP-র প্রার্থীরা আছে। ফলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১২টি পদে জয়ী হয়েছে।

অর্থাৎ, এবার ভোটের মাঠে লড়াই হয়নি, ওয়াকওভার হয়েছে। SFI-র অভিযোগ, তাদের কর্মীদের ভয় দেখানো হয়েছে, তাই তারা প্রার্থী দিতে পারেনি। ABVP-র বক্তব্য, ছাত্ররা SFI-কে প্রত্যাখ্যান করেছে।
উপসংহার: কেরালার বার্তা কী?
কেরালা আবার প্রমাণ করল, সেখানে ছাত্র রাজনীতিতে এখনও লাল ঝান্ডাই এগিয়ে। ABVP-র জন্য Tripunithura-র জয় প্রতীকী জয়, সাংগঠনিক জয় - কিন্তু রাজ্যজুড়ে ছবিটা এখনও SFI-ময়।

বাংলার ছাত্র রাজনীতির জন্য এর কী বার্তা? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

Tags: Kerala Student Election 2026, SFI, ABVP, KSU, Kerala University Election, Kannur University, Tripunithura Sanskrit College, Ajker Rajniti, Sukhen Ghosh



নির্বাচন কমিশনে ফাটল? ১৪ বার আপত্তি, CEC জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক রিপোর্ট, তারপর মুখ খুলল কমিশন

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই কি গৃহযুদ্ধ চলছে? সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি রিপোর্টকে কেন্দ্র করে এমনই প্রশ্নে তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি।


অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন খোদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বুধবার 'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস' এর একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত ১০ মাসে কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাকি দুই কমিশনার সুখবীর সিং সাঁধু এবং বিবেক জোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন।

বিতর্কের মূল বিষয় কী?

রিপোর্ট অনুযায়ী আপত্তিগুলো মূলত তিনটি বিষয়ে -
১. স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়া
২. ফর্ম ৬-এ নতুন নিয়ম
৩. ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া ও নতুন নাম যোগ করার পদ্ধতি। অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তগুলো দুই কমিশনারকে অন্ধকারে রেখে নেওয়া হয়েছিল।

বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ

এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই একযোগে আক্রমণে নামে বিরোধী শিবির। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী একে 'গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ' বলে বর্ণনা করেন। তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় CEC-র বরখাস্ত এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি তোলেন।

অবশেষে মুখ খুলল কমিশন

চাপের মুখে পড়ে বৃহস্পতিবার যৌথ বিবৃতি জারি করে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের বক্তব্য -

"ভারতের নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কাজ করে। যে কোনও স্বাধীন সংস্থায় ভিন্নমত থাকা অস্বাভাবিক নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে দীর্ঘ আলোচনা ও বিতর্ক কমিশনের কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ।"

এছাড়াও কমিশন জানিয়েছে, গত ১০ মাসে প্রায় ৪০টি নতুন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ভোটার তালিকাকে আরও স্বচ্ছ করতে। কয়েকটি বিচ্ছিন্ন অভ্যন্তরীণ নোটকে দেখিয়ে পুরো প্রক্রিয়াকে একপেশে ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে।

বিশ্লেষণ: Ajker রাজনীতি 
সুখেন ঘোষ 

সামনে একাধিক রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে কমিশনের অন্দরের এই ফাটলের খবর নিঃসন্দেহে কমিশনের ভাবমূর্তিতে আঘাত করেছে। কমিশনের এই সাফাই বিরোধীদের আক্রমণ কতটা থামাতে পারে, সেটাই এখন দেখার।

- রিপোর্ট: সুখেন ঘোষ, আজকের রাজনীতি

বারুইপুর কোর্ট চত্বরে CPIM নেতা আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জীকে লক্ষ্য করে ডিম হামলা! উত্তপ্ত আদালত

বারুইপুর কোর্ট চত্বরে আইনজীবী সায়ন ব্যানার্জীর ওপর ডিম হামলা! ভাঙড় কাণ্ডে ফের উত্তেজনা

ভাঙড় কলেজের অশান্তির আঁচ এবার পৌঁছল বারুইপুর আদালত চত্বরে। আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ডিম ছোড়ার অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।

কী ঘটেছিল?
সোমবার ভাঙড় কলেজে SFI, ISF এবং ABVP ছাত্র সংগঠনের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সেই ঘটনায় পুলিশ দুই SFI কর্মী শাহরুখ আখতার আলি মোল্লা ও আসলাম হাবিবকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তাঁদের বারুইপুর আদালতে পেশ করা হয়।

ধৃতদের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন পরিচিত বামপন্থী আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালত দুজনকেই জামিন দেয়।

সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, জামিনের পর তিনি যখন কালো কোর্ট পরে আদালতের বাইরে বেরিয়ে আসেন, তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। পরে ইট ছোড়া এবং গালিগালাজও করা হয়। প্রায় দু ঘণ্টা তাঁকে আদালত চত্বরেই আটকে থাকতে হয়।

তাঁর বক্তব্য, "একজন আইনজীবীর উপরে আদালত চত্বরে ডিম ছোড়া হচ্ছে। এ কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি আমরা। নিরাপত্তা কোথায়?"

হামলার নেপথ্যে কারা?
প্রাথমিকভাবে অভিযোগের তীর ABVP সমর্থকদের দিকে। যদিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ABVP সমর্থকরা ডিম ছোড়ার কথা অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে SFI-র দাবি, পরিকল্পিতভাবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

পুলিশ ও প্রশাসনের বক্তব্য
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বারুইপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অতীশ বিশ্বাস। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং আদালত চত্বর ফাঁকা করে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ডিম ছোড়ার কোনও প্রমাণ পায়নি। নির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ জমা পড়লে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি।

সরব বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য
ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, আইনের পথে দাঁড়িয়ে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রদের জামিন করানোর অপরাধেই সায়নের উপর শারীরিক হামলা হয়েছে। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি এবং আইনজীবীদের ধিক্কার সমাবেশের ডাক দিয়েছেন।

আদালত চত্বরের মতো সুরক্ষিত জায়গায় একজন আইনজীবীর উপর এই ধরনের হামলা আইনের শাসন নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।

পাকিস্তানের ওপেনার থেকে বলিউডের হিরো - মোহসিন খানের অচেনা ইনিংস!

 Game Info Special | ক্রিকেট থেকে সিনেমা

পাকিস্তানের ওপেনার থেকে বলিউডের হিরো - মোহসিন খানের অচেনা ইনিংস!

৯০-এর দশকের সুপারহিট ছবি ‘সাথী’। সেই বিখ্যাত গান ‘জিন্দেগি কি তলাশ মে হাম মৌত কে কিতনা পাস আ গয়ে’ আজও গুনগুন করে গোটা প্রজন্ম। আদিত্য পাঞ্চোলির সঙ্গে দ্বিতীয় নায়ক হিসেবে যে সুদর্শন যুবককে দেখা গিয়েছিল অমরের চরিত্রে, তিনি আর কেউ নন, পাকিস্তানের টেস্ট ওপেনার মোহসিন খান।


হ্যাঁ, ক্রিকেট মাঠের লড়াই ছেড়ে বলিউডের রুপালি পর্দায় নায়ক হয়েছিলেন এই পাক তারকা।


১. ক্রিকেট মাঠের মোহসিন:


১৯৭৭ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত পাকিস্তানের জার্সিতে দাপিয়ে খেলেছেন মোহসিন খান। ৪৮টি টেস্ট ও ৭৫টি একদিনের ম্যাচে তিনি ছিলেন পাকিস্তানের ভরসাযোগ্য ওপেনার।  


তাঁর নামের পাশে এক অনন্য রেকর্ডও আছে - তিনিই প্রথম এবং একমাত্র এশীয় ক্রিকেটার যিনি লর্ডসে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। ১৯৮২ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লর্ডসে তাঁর ২০০ রান আজও ইতিহাস।  


২. বলিউডে সেকেন্ড ইনিংস:


ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে তিনি পা রাখেন মায়ানগরীতে। বলিউড অভিনেত্রী রীনা রায়কে বিয়ে করার পর সিনেমার প্রতি আগ্রহ বাড়ে। পরিচালক জে.পি. দত্তার ‘বাটোয়ারা’ ছবির মাধ্যমে ১৯৮৯ সালে তাঁর হিন্দি সিনেমায় অভিষেক হয়।  


এরপর একে একে করেছেন ‘ফতেহ’ (সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে), ‘গুনাহগার কৌন’, ‘প্রতিকার’, ‘লাট সাহেব’, ‘ম্যাডাম এক্স’ এবং ‘মহান্তা’-র মতো ছবি।


তবে তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল মহেশ ভাটের ক্রাইম থ্রিলার ‘সাথী’ (১৯৯১), যেখানে আদিত্য পাঞ্চোলি ও বর্ষা উসগাওকরের সঙ্গে তিনি ছিলেন অন্যতম প্রধান মুখ। ১৯৯৭ সালের ‘মহান্তা’ ছিল তাঁর শেষ হিন্দি ছবি।  


৩. রীনা রায় ও ব্যক্তিগত জীবন:


১৯৮৩ সালে বলিউডের তৎকালীন টপ অভিনেত্রী রীনা রায়কে বিয়ে করে তুমুল আলোচনায় আসেন মোহসিন। পরে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়।


পাকিস্তানের ক্রিকেট মাঠ থেকে বলিউডের নায়ক, আবার সেখান থেকে কোচ ও ধারাভাষ্যকার - মোহসিন খানের জীবনটা সত্যিই সিনেমার চিত্রনাট্যের চেয়ে কম কিছু নয়।


আপনি কি জানতেন এই গল্পটা? এমনই হারিয়ে যাওয়া ক্রিকেট কাহিনি জানতে চোখ রাখুন Game Info পেজে।


Game Info | Sukhen Ghosh - Reporting


#MohsinKhan #Saathi #BollywoodAndCricket #ReenaRoy #GameInfo #CricketHistory #90sBollywood


ভাড়াটিয়াদের জয়, কর্পোরেটদের হার — বার্লিনে লাল ঝান্ডার উত্থান

 ভাড়াটিয়াদের জয়, কর্পোরেটদের হার — বার্লিনে লাল ঝান্ডার উত্থান

বাড়ি চাই, মুনাফা নয় — বার্লিন বলল বামপন্থাই ভরসা


রিপোর্ট: সুখেন ঘোষ | Ajker রাজনীতি | বার্লিন

বার্লিনের রাজনীতিতে ভূমিকম্প। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাজ্য নির্বাচনে সবাইকে চমকে দিয়ে প্রথম স্থান দখল করল বামপন্থী দল Die Linke (দ্য লেফট)। দলটি পেয়েছে ২৫.৭% ভোট, যা তাদের আগের ফলের প্রায় দ্বিগুণ এবং বার্লিনে তাদের ইতিহাসের সেরা ফল। চ্যান্সেলর Friedrich Merz-এর CDU পেয়েছে ১৮.৮% ভোট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে।  


এই জয়ের ফলে Die Linke বার্লিনের মেয়রের অফিস থেকে কনজারভেটিভদের সরিয়ে দিয়েছে এবং প্রথমবারের মতো শহরের জোট সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার অবস্থানে চলে এসেছে।  


কে এই এলিফ এরাল্প?

৪৫ বছর বয়সী আইনজীবী এলিফ এরাল্প। তাঁর বাবা-মা তুরস্কের সমাজতন্ত্রী ও ট্রেড ইউনিয়ন কর্মী ছিলেন, ১৯৮০ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর জার্মানিতে আসেন। তিনি নিজে মিউনিখে জন্মগ্রহণ করেন এবং জার্মান ও তুর্কি দুই নাগরিকত্বই রাখেন।


দীর্ঘদিন অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন, Die Linke-র হয়ে কাজ করছেন ২০১০ সাল থেকে। এখন থাকেন বার্লিনের ক্রয়েজবার্গে, ভাড়া ফ্ল্যাটে — স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে, বেশিরভাগ বার্লিনবাসীর মতোই।


যদি তিনি মেয়র হন, তাহলে তিনি হবেন ১৯৯০ সালে জার্মান পুনঃএকত্রীকরণের


পর বার্লিনের প্রথম বাম দলের মেয়র, তুর্কি বংশোদ্ভূত প্রথম মেয়র এবং প্রথম বর্ণের নারী মেয়র। আন্তর্জাতিক মিডিয়া তাই তাঁকে ডাকছে ‘Germany’s Mamdani’।


ভোটটা হলো কেন আবাসন নিয়ে?


এরাল্পের পুরো প্রচার ছিল একটাই ইস্যুতে — আবাসন।


তাঁর দল বার্লিনের আবাসন সংকট সমাধান এবং ভাড়া কমানোর জন্য বড় পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যার মধ্যে বড় কর্পোরেট বাড়িওয়ালাদের ফ্ল্যাট বাজেয়াপ্ত করার বিতর্কিত প্রতিশ্রুতিও আছে। স্লোগান ছিল — WOHNEN STATT PROFIT।


তিনি নিজে বলেছেন, "Berlin has clearly voted in favour of a change in policy, for an affordable Berlin where everyone can live with dignity, regardless of income or background"। জয়ের রাতে বলেছিলেন, "In our city, love and justice have triumphed over hatred."  


সরকার কি গঠন হলো?


না, এখনো নয়। জার্মানিতে রাজ্য নির্বাচন সরাসরি মেয়র নির্বাচন করে না, সবচেয়ে বড় দলকে আগে জোট গঠন করতে হয়, তারপর পার্লামেন্ট সরকার প্রধানকে নির্বাচন করে — তাই ভোটের সন্ধ্যা পর্যন্ত এলিফ এরাল্প দায়িত্ব নেননি।  


এখন দুটো সম্ভাব্য জোট নিয়ে আলোচনা চলছে — Left-Green-SPD অথবা CDU-Green-SPD, কারণ আগের CDU-SPD জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। সংখ্যার বিচারে Die Linke-Greens-SPD জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার কথা।  


এই ফলাফল শুধু বার্লিনের নয়। ঠিক দুই সপ্তাহ আগেই Saxony-Anhalt-এ জিতেছিল কট্টর দক্ষিণপন্থী AfD। তার পাল্টা হিসেবে বার্লিন দেখাল — ভাড়া, বৈষম্য আর মর্যাদার রাজনীতিতেও মানুষ বিকল্প খুঁজছে।


Ajker রাজনীতি | Sukhen Ghosh - Reporting

রেজিনগর উপনির্বাচন ২০২৬ - RSP কেন সরে দাঁড়াল?

 রেজিনগর উপনির্বাচন ২০২৬ - RSP কেন সরে দাঁড়াল?



মুর্শিদাবাদের রেজিনগর উপনির্বাচন থেকে প্রার্থী প্রত্যাহার করল বামফ্রন্ট শরিক RSP। নির্বাচন কমিশন কোদাল-বেলচা প্রতীক না দেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত।


আজকের লাইভে আলোচনা:

✅ কেন সরে দাঁড়াল RSP? কমিশনের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ?

✅ রাজ্য সম্পাদক তপন হোড় কী বললেন? - প্রতীক নিয়ে ষড়যন্ত্র, বালতি প্রতীক চাপিয়ে দেওয়া এবং আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি।

✅ প্রার্থী বিকাশ চন্দ্র মিশ্রের দেওয়াল লিখন শুরু হয়েও কেন থেমে গেল?

✅ এবার কি CPIM-কে সমর্থন করবে RSP? এখনও পর্যন্ত দলের তরফে কোনো সমর্থনের ঘোষণা হয়নি। 

✅ রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন - ৬ অক্টোবর ভোট, ৯ অক্টোবর গণনা।


আপনাদের মতামত কমেন্টে জানান - RSP-র এই সিদ্ধান্ত কি বাম ভোটে প্রভাব ফেলবে?


#RejinagarByElection #RSP #CPIM #LeftFront #TapanHore #WestBengalNews #AjkerRajniti #Rejinagar #NandigramByElection #Murshidabad

ভোটার তালিকা থেকে ৬৩% নারীর নাম বাদ! ভোটাধিকার হরণ ও প্রশাসনিক চক্রান্তের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠল মহিলা সমিতি

 



ভোটার তালিকা থেকে ৬৩% নারীর নাম বাদ! ভোটাধিকার হরণ ও প্রশাসনিক চক্রান্তের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠল মহিলা সমিতি

​সুখেন ঘোষ | আজকের রাজনীতি

​বাংলা জুড়ে ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি (AIDWA)-এর পক্ষ থেকে একে কেবল সাধারণ প্রশাসনিক ত্রুটি মানতে নারাজ, বরং এটিকে একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ও চক্রান্তমূলক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করা হয়েছে। সম্প্রতি সংগঠনের নেত্রীদের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

​২৭ লক্ষ মানুষের নাম বাদ, যার ৬৩ শতাংশই নারী!

​তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ চলে গেছে। কিন্তু এত বড় একটা সংখ্যা বাদ যাওয়ার পরেও নির্বাচন কমিশন বা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এর কোনো সদুত্তর মিলছে না। সবচেয়ে অবাক করা এবং উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই বাদ যাওয়া ভোটারদের মধ্যে প্রায় ৬৩ শতাংশই মহিলা। মালদা, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো জেলাগুলোতে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

​কোন যুক্তিতে বাদ পড়ছে নাম?

​মহিলা সমিতির প্রশ্ন, নাম বাদ দেওয়ার পেছনে যে 'লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি' বা অসঙ্গতির কথা বলা হচ্ছে, তার ভিত্তি কী? অতীতে ২০০২ সাল কিংবা তারও আগে ১৯৭২ সাল থেকে যাদের নাম ভোটার তালিকায় ছিল, হঠাৎ করে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে তারা দেখছেন তালিকায় তাদের নাম নেই।

বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে— বিয়ের পর পদবি পরিবর্তন, সম্পত্তির দলিল কিংবা পাট্টায় স্বামীর নাম বা যৌথ নাম থাকার বিষয়টিকে সামনে রেখে তাদের নাগরিক অধিকার ও ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। অথচ বহু ক্ষেত্রে নারীদের এই নথিপত্র এবং পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও চক্রান্ত করে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

​রেশন ও সরকারি সুবিধা হারানোর আতঙ্ক

​ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার ফলে বাংলার সাধারণ মহিলারা আজ এক গভীর মানসিক আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের মনে প্রশ্ন জেগেছে— ভোটার লিস্টে নাম না থাকলে কি তাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে? ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের আত্মহত্যার ঘটনার মতো নারীদের ওপরও নানাভাবে রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার বা রেশন কার্ডের মতো জরুরি পরিষেবা থেকেও মহিলারা বঞ্চিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

​আগামী ২৫শে সেপ্টেম্বর সিইও দপ্তর অভিযান


​নির্বাচন কমিশনের নিষ্ক্রিয়তা এবং শাসকদলের এই কথিত চক্রান্তের বিরুদ্ধে আর চুপ করে থাকতে নারাজ মহিলা সমিতি। সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, আগামী ২৫শে সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী নারীদের সঙ্গে নিয়ে সিইও (CEO) দপ্তর ঘেরাও করা হবে। ভোচিকার ফিরিয়ে দেওয়া এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্তের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন গোটা রাজ্য জুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার হুঙ্কার দিয়েছেন নেত্রীরা।

​সংবাদ মাধ্যম ও ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেও যখন সুরাহা মিলছে না, তখন বাংলার নারীরা নিজেদের অধিকার রক্ষায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হচ্ছেন— এমনটাই স্পষ্ট বার্তা উঠে এসেছে আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে।

নন্দীগ্রামের পর এবার রেজিনগর! পুরনো মামলায় গ্রেফতার রেজিনগরের প্রার্থী সফিউল ইসলাম

 রেজিনগর প্রার্থী গ্রেফতার সফিউল ইসলাম

নন্দীগ্রামের পর এবার রেজিনগর - গ্রেফতার রেজিনগরের প্রার্থী, খেলা জমে উঠলো!


বাংলার উপনির্বাচনের আগে বড় চাঞ্চল্য!


নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের পর এবার রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে নির্দল প্রার্থী সফিউল ইসলামকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুরনো একটি মামলায় শনিবার বিকেলে ডোমকল থেকে তাঁকে নওদা থানার পুলিশ গ্রেফতার করে।  


অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, হরিহরপাড়ায় নাকা তল্লাশির সময় ধৃতের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও জাল নোট উদ্ধারের দাবিও করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর পরপর দু’দিনে দুই কেন্দ্রে প্রার্থী গ্রেফতারে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়েছে।  


এই গ্রেফতারি কি নিছকই আইনি প্রক্রিয়া, নাকি এর পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক চক্রান্ত? কী বলছে শাসক ও বিরোধী শিবির?


সব বিশ্লেষণ দেখুন আজকের রাজনীতিতে, Sukhen Ghosh এর সাথে।


আপনার মতামত কমেন্টে জানান - এই গ্রেফতারি কি ভোটের খেলাকে প্রভাবিত করবে?

নন্দীগ্রামে জোড়া ধাক্কা মমতা শিবিরে: প্রতীকের পর প্রার্থীও উধাও, মনোনয়ন প্রত্যাহার সঞ্চিতা প্রধানের


 নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের ঠিক আগেই রাজ্য রাজনীতিতে বড় ধাক্কা। ভোটের আগেই মাঠ ছাড়লেন মমতা শিবিরের প্রার্থী। যে আশঙ্কা ছিল, তাই হল। নন্দীগ্রামে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করে নিলেন সঞ্চিতা দে প্রধান।  


কি ঘটলো আজ?


আজ ১৮ সেপ্টেম্বর, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনের আগের দিন। সঞ্চিতা দে প্রধান, পেশায় শিক্ষিকা, স্বামী সত্যজিৎকে নিয়ে ময়দানের PWD টেন্টে এবং নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হলদিয়ায় গিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের চিঠি জমা দেন। সঞ্চিতার দাবি, তিনি আশীর্বাদ নিতে গিয়েছিলেন।


এই ঘটনা ফলতা উপনির্বাচনের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে, যেখানে শেষ মুহূর্তে তৃণমূল প্রার্থী সরে দাঁড়ানোয় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছিল বিজেপি।


প্রতীক জটের পর এবার প্রার্থী সংকট


এই উপনির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশন দুই তৃণমূল গোষ্ঠীকেই আসল নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নিষেধ করেছে। মমতা শিবিরকে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নাম ও ফুটবল প্লেয়ারের প্রতীক দিয়েছে নির্বাচন কমিশন, অন্যদিকে ঋতব্রত শিবিরের নাম হয়েছে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস, এদের প্রতীক খাম।


নতুন প্রতীক চেনানোর আগেই প্রার্থী হারানোয় বড় ধাক্কা খেল মমতা শিবির। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমার শেষ দিন পেরিয়ে যাওয়ায় নতুন প্রার্থী দেওয়ার আর সুযোগ নেই।


তাহলে লড়াইটা এখন কাদের মধ্যে?


ফাঁকা মাঠে গোল হচ্ছে না। ৬ অক্টোবর ভোট, ৯ অক্টোবর ফল। নন্দীগ্রাম আসনটি খালি হয়েছে শুভেন্দু অধিকারী দুটি আসন থেকে জিতে একটি ছেড়ে দেওয়ায়।


মাঠে এখন যারা আছেন:

• বিজেপি: হাসিরানী রথ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিহত আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা। • কংগ্রেস: মিলন প্রধান। • সিপিআই (বামফ্রন্ট): শান্তিগোপাল গিরি। • অন্য তৃণমূল গোষ্ঠী: মহম্মদ এহেতাশামুল হক। 

মমতা শিবিরের পরবর্তী চাল


মনোনয়ন প্রত্যাহারের পরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, INDIA জোটকে শক্তিশালী করতে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তারা কংগ্রেসকে সমর্থন করবেন। কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানানো হয়েছে।


এখন দেখার, নন্দীগ্রামে কি বিজেপি বনাম সিপিআই-এর পুরনো লড়াই ফিরবে, নাকি কংগ্রেস-মমতা শিবিরের সমর্থনে ত্রিমুখী লড়াই জমে উঠবে।


Nandigram Bypoll 2026, Sanchita Pradhan Dey, Sanchita Dey Pradhan withdraws nomination, Mamata Banerjee, Suvendu Adhikari, Nandigram By Election, West Bengal Bypoll 2026, Hasirani Rath, Milan Pradhan, Shantigopal Giri, CPI, Congress, TMC Symbol Freeze

আমরা UPI বানিয়েছি বলে ডঙ্কা পেটানো বন্ধ করুন' - ৮,০০০ কোটির ভর্তুকি নিয়ে কেন বিস্ফোরক অশনীর গ্রোভার?

 'আমরা UPI বানিয়েছি বলে ডঙ্কা পেটানো বন্ধ করুন' - ৮,০০০ কোটির ভর্তুকি নিয়ে কেন বিস্ফোরক অশনীর গ্রোভার?


সাব-হেডিং: সরকারের নতুন UPI মার্চেন্ট চার্জের সিদ্ধান্তের পরেই সরব BharatPe-র সহ-প্রতিষ্ঠাতা। প্রশ্ন তুললেন, RBI-র ২.৮৭ লক্ষ কোটি উদ্বৃত্ত থাকতে UPI-কে টিকিয়ে রাখার খরচ কেন দিতে পারবে না দেশ?


বিশ্বমঞ্চে ভারতের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল সাফল্যের গল্প হিসেবে UPI-কে তুলে ধরা হয়। কিন্তু সেই UPI-ই এবার করের বোঝায় চাপা পড়তে চলেছে কি? এমনই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ করলেন BharatPe-র সহ-প্রতিষ্ঠাতা অশনীর গ্রোভার।


আপনার দেওয়া ভাইরাল ছবিতে যে বক্তব্যটি রয়েছে - "যদি আপনারা (সরকার) এই আর্থিক সিস্টেমটি চালানোর জন্য বছরে ৮,০০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে না পারেন, তবে বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে 'আমরা ইউপিআই বানিয়েছি', 'আমরা গ্লোবাল লিডার'—এইসব বলে ডঙ্কা পেটানো বন্ধ করুন!" - সেটি আসলে গ্রোভারের সাম্প্রতিক X পোস্টের বাংলা তর্জমা।

ঠিক কী হয়েছে?

গত ১৪ সেপ্টেম্বরের গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সরকার জানিয়েছে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত UPI লেনদেন এবং RuPay ডেবিট কার্ডে কোনও চার্জ বসানো যাবে না। কিন্তু তার উপরের লেনদেন নিয়ে ধোঁয়াশা রেখে দেওয়া হয়েছে।  


পরে প্রকাশিত নতুন কাঠামো অনুযায়ী, ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন নিয়ম:

• ২,০০০ টাকার উপরে P2M (Person to Merchant) লেনদেনে ০.৪% MDR, সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত।   • রেলওয়ে, টেলিকম, বিমা, জ্বালানির মতো ক্ষেত্রে ফ্ল্যাট ৫ টাকা। • **শেয়ার বাজার, মিউচুয়াল ফান্ডের মতো ক্ষেত্রে ০.০২% MDR**।   

এই আইনি কাঠামো তৈরি হয়েছে Payment and Settlement Systems Act, 2007-এর Section 10A সংশোধনের পর।

অশনীর গ্রোভার কেন ক্ষুব্ধ?

গ্রোভারের যুক্তি একদম সরাসরি। তিনি X-এ লিখেছেন, “Any levy on UPI is just tax collection. UPI is the one scientific achievement of India everyone acknowledges par ab tax ki bali chadhegi.”  


তিনি আরও একটি বিস্ফোরক হিসাব দিয়েছেন, যা আপনার ছবির ৮,০০০ কোটির প্রসঙ্গকে ব্যাখ্যা করে:

“If the government had not waived Rs 22,000 crore for Chandra Sahab, UPI in India could have remained free for the next 20 years with the government’s ₹8,000 crore subsidy”  

অর্থাৎ, এক শিল্পপতির ২২ হাজার কোটি টাকা মুকুব না করলে সেই টাকাতেই আগামী ২০ বছর UPI ফ্রি রাখা যেত।


তাঁর হিসাব অনুযায়ী:

• RBI-র সরকারকে দেওয়া উদ্বৃত্ত: ₹২.৮৭ লক্ষ কোটি • তালিকাভুক্ত ব্যাঙ্কগুলির মোট লাভ: ₹৪.১১ লক্ষ কোটি • UPI চালায় যে NPCI, তার প্রি-ট্যাক্স সারপ্লাস: ₹১,৮৮৮ কোটি   • NPCI-র হাতে নগদ রয়েছে ₹৬,১১৯ কোটি এবং অপারেটিং লাভ ₹১,৯০০ কোটি, যা দিয়ে তারা নিজেরাই অনির্দিষ্টকাল UPI ফ্রি চালাতে পারে   

তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “তাহলে UPI-র জন্য কার ক্ষতি হচ্ছে, আর সরকার কোন ভর্তুকিটা দিচ্ছে?”  


এমনকি তিনি বলেছেন, ভারতে ATM এবং নগদ টাকা সামলানোর বার্ষিক খরচ প্রায় ₹৩০,৫০০ কোটি। ATM বন্ধ করে UPI-কে প্রমোট করলেই বরং খরচ কমবে।  

ফিনটেক দুনিয়ায় ভাঙন

এই ইস্যুতে ফিনটেক ইন্ডাস্ট্রি দুভাগে ভাগ হয়ে গেছে।


PhonePe-র CEO সমীর নিগম এই MDR-কে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, “Digital payment systems operate in more than 200 countries worldwide, yet India was the only country where UPI transactions carried no MDR”।  


MobiKwik-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা উপাসনা টাকু গ্রোভারদের সমালোচকদের নিশানা করে বলেছেন, তারা এখন আর ফিনটেক ফাউন্ডার নন, পার্সোনাল ব্র্যান্ডিংয়ে ব্যস্ত।  


অন্যদিকে BharatPe নিজেই গ্রোভারের মন্তব্য থেকে দূরত্ব বাড়িয়েছে এবং জানিয়েছে ২০২৪ সাল থেকেই গ্রোভারের সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই, তাঁর মন্তব্য একান্ত ব্যক্তিগত।

সাধারণ দোকানদারের কী হবে?

সরকার বলছে, গ্রাহকের উপর কোনও চাপ পড়বে না। কিন্তু গ্রোভারের প্রশ্ন, “Why are you calling it a ‘charge’, ‘MDR’, or claiming that it won't affect the customer?”। শেষ পর্যন্ত এই খরচ ঘুরিয়ে গ্রাহকের ঘাড়েই পড়বে।  


বিরোধীরা একে 'মোদী ট্যাক্স' বলে কটাক্ষ করেছে। কংগ্রেসের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ সালে মোট UPI লেনদেন ₹৩১৪ লক্ষ কোটির মধ্যে ৬৬% অর্থাৎ ₹২০৭ লক্ষ কোটিই ছিল ২,০০০ টাকার উপরের লেনদেন।


উপসংহার:

UPI আজ ভারতের ডিজিটাল পরিচয়। ২০১৬ সালে ₹০.০৭ লক্ষ কোটি থেকে শুরু করে আজ ₹৩১৪ লক্ষ কোটির লেনদেন, ১১টি দেশে গ্রহণযোগ্যতা - গল্পটা গ্লোবাল লিডারেরই। কিন্তু প্রশ্নটা রয়ে যায়, যে দেশ নিজের সবচেয়ে সফল প্রযুক্তিকে টিকিয়ে রাখতে বছরে ৮,০০০ কোটি টাকা খরচ করতে দ্বিধা করে, সে কি সত্যিই গ্লোবাল লিডার?

পর্দায় ২০০ ছবির নায়ক, বাস্তবে এক চিলতে ঘরে লড়াই - বিস্মৃতির আড়ালে 'জন্মভূমি' খ্যাত নিমাই ঘোষ

 পর্দায় ২০০ ছবির নায়ক, বাস্তবে এক চিলতে ঘরে লড়াই - বিস্মৃতির আড়ালে 'জন্মভূমি' খ্যাত নিমাই ঘোষ



ডিডি বাংলার 'জন্মভূমি' ধারাবাহিকের সেই পরিচিত মুখ মনে আছে?

পাঁচ দশকের বেশি অভিনয় জীবন, ২০০-র বেশি বাংলা ছবি। উত্তম-সুচিত্রা যুগ থেকে এই প্রজন্ম - সব সময়েই ছিলেন তিনি।

কিন্তু আজ?

অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি একজন কবি। কবিতার বইও বেরিয়েছে। অথচ অভিনয়ের পারিশ্রমিক থেকে বইয়ের রয়্যালটি - কিছুই ঠিকমতো পাননি বলে অভিযোগ বর্ষীয়ান এই শিল্পীর।এখন সরকারি আবাসনের ছোট্ট একটি ঘরে দিন কাটছে তাঁর। নতুন কাজ নেই, রোজের খরচ চালানোই দায় হয়ে উঠেছে।তাঁর একটা কথাই আজ টলিউডকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায় - "যারা ছবিকে শুধু ব্যবসা ভাবে, তারা আমাদের খোঁজ রাখবে কেন?"আমরা কি শুধু চরিত্রকেই মনে রাখবো, শিল্পীকে নয়?


ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবেদন: আজকের রাজনীতি


#NimaiGhosh #Janmabhumi #BengaliCinema #Tollywood #DDbangla #AjkerRajniti

বাম-কংগ্রেস-ISF জোট দরকার, তৃণমূলকে বাইরে রেখেই! নওশাদের এই ফর্মুলায় কি আটকাবে বিজেপি?

 

তৃণমূলের বিদায়, বিজেপি ক্ষমতায় - এবার বিজেপিকে রুখতে বাম-কংগ্রেস-ISF জোটের ডাক নওশাদের!


রাজনীতির পট পরিবর্তন। নওশাদ সিদ্দিকী এতদিন বলতেন তৃণমূল-বিজেপির বাইনারি ভাঙতে হবে। এবার প্রেক্ষাপটটাই বদলে গেছে।তৃণমূল সরকার থেকে চলে গেছে, ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আর ঠিক এই মুহূর্তেই ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর সেই পুরনো দাবি আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠলো - বিজেপিকে রুখতে বাম-কংগ্রেস-ISF-কে এক হতেই হবে।

কেন এই জোটের কথা এখন আরও জোরালো?

নওশাদের যুক্তি ছিল, বিজেপির মূল প্ল্যান হল সংখ্যালঘু ভোট ভাগ করে দাও। তৃণমূল থাকাকালীন এই ভোট তৃণমূল, কংগ্রেস, ISF, বামেদের মধ্যে ভাগ হতো। 


এখন তৃণমূল সরকারে নেই। ফলে সেই সংখ্যালঘু ভোট পুরোপুরি অভিভাবকহীন। বিজেপি সরকারে এসে যদি সেই ভোট আরও ছিন্নভিন্ন থাকে, তাহলে বিজেপিকে হারানো অসম্ভব। তাই তিনি বলছেন, তৃণমূল পরবর্তী সময়ে বিজেপির বিরুদ্ধে একমাত্র ধর্মনিরপেক্ষ বিকল্প হতে পারে বাম-কংগ্রেস-ISF জোট।

এই নতুন সমীকরণে জোটের অঙ্ক কী?

১. বিরোধী পরিসরে শূন্যতা পূরণ: তৃণমূল হেরে যাওয়ায় প্রধান বিরোধী হওয়ার লড়াই এখন খোলা। বাম-কংগ্রেসের ক্যাডার, সংগঠন আর ISF-এর সংখ্যালঘু ও প্রান্তিক জনভিত্তি মিলে গেলে বিজেপির বিরুদ্ধে একটা বিশ্বাসযোগ্য মুখ তৈরি হতে পারে।


২. ধর্মনিরপেক্ষ ভোটের একত্রীকরণ: ২০২১ সালে সংযুক্ত মোর্চা একসঙ্গে লড়ে ভাঙড়ে জিতেছিল। ২০২৪-এ জোট ভাঙায় ফায়দা পেয়েছিল তৃণমূল ও বিজেপি। এখন বিজেপি ক্ষমতায় থাকায় সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি হলে ধর্মনিরপেক্ষ ভোট চিরতরে ভাগ হয়ে যাবে - এটাই নওশাদের আশঙ্কা।


৩. বিজেপির বিরুদ্ধে আদর্শগত লড়াই: এতদিন লড়াই ছিল দুর্নীতি বনাম সাম্প্রদায়িকতা। এখন লড়াই সরাসরি ক্ষমতাসীন বিজেপির নীতির বিরুদ্ধে। সেখানে তৃণমূলের সঙ্গে জোট না করে বাম-কংগ্রেস-ISF যদি পরিচ্ছন্ন ধর্মনিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে, মানুষ বিকল্প হিসেবে দেখতে পারে।

সত্যিই কি পারবে?

এখানেই বড় প্রশ্ন।


ক্ষমতায় থাকা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে গেলে শুধু জোট করলেই হবে না, দরকার রাস্তার আন্দোলন। বামেদের সংগঠন আছে , কংগ্রেসের নেতৃত্বে দ্বিধা, আর ISF মাত্র কয়েকটি বিধানসভায় শক্তিশালী ভোট আছে । এই তিন শক্তি এক হলেও রাজ্যজুড়ে বিজেপির মতো সাংগঠনিক মেশিনের বিরুদ্ধে লড়তে হলে আসন সমঝোতা, অভিন্ন কর্মসূচি এবং নেতৃত্বের ইগো ছাড়তে হবে - যা নিয়ে নওশাদ নিজেও বারবার সরব হয়েছেন।


তবে একটা কথা পরিষ্কার - তৃণমূলের পতনের পর বাংলায় যদি বিজেপি-বিরোধী ভোট এক জায়গায় না আসে, তাহলে বিজেপিকে রোখা আরও কঠিন হবে। সেই জায়গা থেকেই নওশাদ সিদ্দিকীর এই ডাক - তৃণমূল নেই, এবার বিজেপির বিরুদ্ধে সব ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি এক হও।


জোট কি সত্যিই সম্ভব? নাকি আবারও ভোট ভাগের খেলায় বিজেপির সুবিধা হবে? 


আপনার মতামত কী?

আজকের রাজনীতি | সুখেন ঘোষ


#NausadSiddiqui #BamCongressISF #BJP #BengalPolitics #TMC #AjkerRajniti #SukhenGhosh #WestBengal